আপনারা সকলেই অবগত আছেন বাংলাদেশ থেকে ফেসবুক বন্ধ…
তবুও অনেকেই বিভিন্ন পন্থায় ফেসবুক ব্যবহার করছে… এমনকি আমাদের দেশের মন্ত্রীদেরও ফেসবুক চালাতে দেখা গেছে…। :3
তাহলে আমরা কেন থেমে থাকবো??
যাইহোক বিভিন্ন ভিপিএন এ রাক্ষুসের মতো ডাটা কাটার নজির দেখা গেছে… Background data restrict করলে ভিপিএন ই কাজ করছে না।
যার ফলে যারা কম ডাটায় ফেসবুক চালাতেন তারা পরেছেন বিপাকে…।
তাছাড়া বেশির ভাগ  ফ্রী ভিপিএন সফটওয়্যার এর স্পিড ও হয় কচ্ছপ গতির  :3
তাদের জন্যই আজ নিয়ে এলাম একেবারেই সহজ একটা সমাধান…
প্রথমেই নিচ থেকে 1 Mb এর লেটেষ্ট “

Uc browser mini.apk

software টা ডাওনলোড করুন (বিঃদ্রঃ এইটা Uc browser না uc browser mini )
Uc Browser mini latest.apk
ডাওনলোড করে ইনষ্টল করুন এবার যেকোন সীম দিয়ে সুপার ফার্ষ্ট স্পিড এ  আরামসে ফেসবুক ব্যবহার করতে থাকুন ।
পোষ্টটি আপনার কাজে লাগলে ফেসবুকে/বন্ধুর সাথে  শেয়ার করতে পারেন… তাহলে হয়তো অনেকের ই ডাটা সেভ হবে এবং স্লো ভিপিএন এর প্যারা থেকে মুক্তি পাবে।
Uc mini ত বাংলা ফন্টে সমস্যা ও তার সমাধানঃ
uc mini তে বাংলা ফন্টে অনেকের সমস্যা হচ্ছে… তারা settings=>Customize=>Bitmap Font এ টিক দিন…।
ক্লিয়ার বাংলা দেখতে পাবেন এবং যাদের ফোনে বাংলা সাপোর্ট করে না তারাও বাংলা দেখতে পাবেন।

Windows XP Keyboard ShortCut
Windows XP কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের সাথে এক মিশে থাকা নাম।প্রতিদিন আমরা এটি ব্যবহার করি।আর এটি ব্যবহার করতে আমাদের যে যন্ত্রটি অতি সহায়ক তা হল মাউস।মাউস দিয়ে আমরা প্রতিদিন দিয়ে থাকি হাজারো কমান্ড।কিন্তু আপনি জানেন কি,আপনি যদি কি-বোর্ডের সর্টকাট গুলো কাজে লাগিয়ে উইন্ডোজ ব্যবহার করেন তাহলে প্রায় ৫০% দ্রুত কাজ করতে পারবেন।হয়তো ভাবছেন এত গুলো কমান্ড কি জানা সম্ভব।আপনার সুবিধার জন্য আমি নিচে Keyboard Shortcut গুলো ক্রমানুসারে দিয়ে দিয়েছি।প্রয়োজনমত দেখে নিতে পারেন।

General

Help - F1
Copy - CTRL+C
Cut - CTRL+X
Paste - CTRL+V
Undo action - CTRL+Z
Redo action - CTRL+Y
Delete selected item (item will be moved to the Recycle Bin) - DELETE
Delete selected item (item will NOT be moved to the Recycle Bin) - SHIFT+DELETE
Copy selected item – CTRL while dragging selected item
Create shortcut – CTRL+SHIFT while dragging an item
Rename selected item - F2
Move mouse cursor to the beginning of the next word - CTRL+RIGHT ARROW
Move mouse cursor to the beginning of the previous word - CTRL+LEFT ARROW
Move mouse cursor to the beginning of the next paragraph - CTRL+DOWN ARROW
Move cursor to the beginning of the previous paragraph - CTRL+UP ARROW
Select text block - CTRL+SHIFT with an arrow key
Select more than one item - SHIFT with any arrow key
Select all items - CTRL+A
Search – F3
Display selected item’s properties - ALT+ENTER
Close – ALT+F4
Shortcut menu for the active window - ALT+SPACEBAR
Close active doc - CTRL+F4
Switch between open items - ALT+TAB
Cycle through items in the order in which they were opened - ALT+ESC
Cycle through screen elements - F6
Address bar in Windows Explorer – F4
Shortcut menu for selected item - SHIFT+F10
Start menu - CTRL+ESC or Win (the key with the windows logo on it from your keyboard).
Display System menu for active window - ALT+SPACEBAR
Display corresponding menu - ALT+underlined letter
Perform the menu command or other underlined command - ALT+underlined letter
Menu bar in the active program - F10
Open next menu to the right, or open a submenu - RIGHT ARROW
Close next menu to the left, or close a submenu - LEFT ARROW
Refresh active window - F5
One level up in Windows Explorer - BACKSPACE
Cancel current task - ESC
Task Manager - CTRL+SHIFT+ESC ort ALT+CTRL+DEL
CD/DVD does not automatically play - hold Shift while inserting the disk.

Windows Explorer

Bottom of active window - END
Top of active window - HOME
Display all subfolders under the selected folder - NUM LOCK+ASTERISK (*) on numeric keypad
Display contents of selected folder - NUM LOCK+PLUS SIGN (+) on numeric keypad
Collapse selected folder - NUM LOCK+MINUS SIGN (-) on numeric keypad
Collapse current selection if expanded, or select parent folder - LEFT ARROW
Display current selection if collapsed, or select first subfolder - RIGHT ARROW
Address bar - ALT+D
One level up - BACKSPACE

Dialog Box

Enable extended mode – SHIFT+F8 in extended selection list boxes. Use arrow keys to move the cursor without changing the selection. Adjust the selection by pressing CTRL+SPACEBAR or SHIFT+SPACEBAR. Press SHIFT+F8 to cancel extended selection mode.
Move forward through tabs - CTRL+TAB
Move backward through tabs - CTRL+SHIFT+TAB
Move forward through options - TAB
Move back through options - SHIFT+TAB
Perform command or select option that goes with that letter - ALT+underlined letter
Access command - ENTER
Select or clear check box - SPACEBAR
Select a button - Arrow keys
Help - F1
Display items in the active list - F4
Open a folder one level up – BACKSPACE

Accessibility

Filter Keys on/off - Right SHIFT for eight seconds
High Contrast on/off - Left ALT+left SHIFT+PRINT SCREEN
Mouse Keys on/off - Left ALT+left SHIFT+NUM LOCK
Sticky Keys on/off - SHIFT five times
Toggle Keys on/off - NUM LOCK for five seconds
Utility Center - Win +U

Win+X (Microsoft natural keyboard shortcuts)

Start menu – Win
System Properties – Win+PAUSE/BREAK
Desktop - Win+D
Minimize all windows - Win+M
Restore minimized windows to the desktop - Win+SHIFT+M
Open Com

এখন খুব সহজে আপনি তৈরি করতে পারেন আপনার ওয়েবসাইটের জন্য ফ্লাশ music player ।শুধু কি তাই? আপনি এতে ব্যবহার করবেন আপনার পছন্দের সব বাংলা গান।কোন আপলোড ঝামেলা নেই।আমি পুরো জিনিসটি আপনাদের বিস্তারিত দখাবো।এবং বাংলা গান যুক্ত করার পদ্ধতিটাও শেখাবো।
তাহলে শুরু করছি।

প্রথমে এখানে ক্লিক করুন।তাহলে যে ওয়েব পেজটি আসবে তার নিচের দিকে থেকে আপনার পছন্দের ফ্লাশ প্লেয়ারটি সিলেক্ট করুন।
এর পর Edit Playlist ক্লিক করুন।এখানে আপনি পাশা পাশি দু’ই সারিতে কতগুলো বক্স দেখতে পারবেন।এর ডান পাশের গুলো হচ্ছে অনলাইনে যে স্থানে আপনার গান আছে তার URL এবং বাম পাশের গুলো সেই গানের নাম।আপনি ইউটিউব এর গানের লিঙ্ক চাইলে ব্যবহার করতে পারেন। তবে মনে রাখবেন গানের লিঙ্কটির শেষে .mp3 থাকতে হবে।যেমন আমি যদি kalo megh এই গানের লিঙ্ক দেই তবে তার URL হবে kalomegh.mp3।আমি আপনাদের বাংলা গান সিলেক্ট করার ট্রিক একটু পরেই শেখাচ্ছি।
বক্সগুলো কম্পলিট হলে আপনি চাইলে কনফিগারেশন সেটিং এ ক্লিক করে আপনার প্লেয়ারের কনফিগারেশন ঠিক করতে পারেন।যেমন,এটি আপনার সাইটে ঢোকার সাথে সাথে অটো প্লে করবে কি না,অথবা এর ডিফল্ট ভলিউম কত হবে ইত্যাদি।
সব কাজ কম্পলিট হলে Done ক্লিক করুন।কাজ শেষ হবার পূর্বে Done ক্লিক করবেন না।Done ক্লিক করার পর নিচে দখানো ছবির মত কোড পাবেন।আর এটি আপনার ওয়েব পেজ এ পেস্ট করে দিন।আর একটি কথা,প্লেয়ারটি ওয়েবপেজের শুধু উপরে বা নিচে থাকতে পারবে।অন্য কোন স্থানে নয়।আপনি যদি উপরে রাখতে চান তবে কনফিগারেশন সেটিং থেকে তা নির্বাচন করে তারপর Done ক্লিক করুন।সাধারনত এটি নিচে ডিফল্ট সিলেক্ট করা থাকে।ব্যস,কাজ শেষ।কোড গুলো আপনার সাইটে কপি করে দিলেই প্লেয়ার তৈরির কাজ শেষ।
এবার আসি বাংলা গান সিলেক্ট করা নিয়ে।বাংলাদেশে সবচাইতে জনপ্রিয় ফ্রিতে বাংলা গান ডাউনলোড সাইট কোনটি? হ্যা,ঠিক বলেছেন, www.music.com.bd ।আর এটিই আপনাকে সাহায্য করবে গান সিলেক্ট করতে।কিভাবে? আসুন দেখি।প্রথমে আপনার music.com.bd থেকে আপনার পছন্দের গানটি যে এলবামের তা বের করুন।এবার এলবামটির যে গানটি আপনি সিলেক্ট করতে চান তার নামের উপর মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে Copy Link Location নির্বাচন করুন।
এবার আপনার কপি করা লিঙ্ক লোকেশনটি আপনার প্লেয়ারের প্লে লিস্ট বক্সের URL স্থানে প্লেস্ট করুন ও গানের নামের স্থানে টাইপ করে নাম লিখুন।URL ঘরে আপনি যখন পেস্ট করবে তখন তার শেষে .html লেখাটি থাকবে।আর এর আগে থাকবে .mp3।আপনি শুধু .html লেখাটি মুছে দিন।
ব্যাস। আপনার বাংলা গান সিলেক্ট করা শেষ।উপরের সব কাজ শেষ করতে পারলে আপনার ওয়েবসাইটে কোড পেস্ট করে দিন তাহলেই music player তৈরির কাজ শেষ।

ব্লগস্পট যারা ব্যবহার করেন বা যারা ব্লগিং করে থাকেন তাদের জন্য আজ দারুন একটা জিনিস শেখাবো।যা হোক,আজ যে জিনিসটা শেখাব তা নিশ্চই শিরোনাম পড়ে বুঝতে পেরেছেন।না বুঝলে আবার বলছি।যাদের ব্লগার এর B দেয়া আইকনটি দু'চোখে আর সহ্য হচ্ছে না,কিন্তু চাইলেও ভাবছেন পরিবর্তন করা যাবে না ফ্রি সাইট বলে তাদের জন্য একটি সুখবর।আর তাহল,আজ আমার এই টিউন পরার পর ঠিকমত যদি সব কাজ গুলো করতে পারেন তবে আপনার চোখ খুশি হবে বলে কথা দিচ্ছি।খুব সহজে আপনার সাইটের লোগো বা অন্য যে কোন পছন্দের আইকন আপনি ব্যবহার করতে পারেন।আর এজন্য আপনাকে খুব ছোট কিছু কাজ করতে হবে।প্রথম যে কাজটি করতে হবে তাহল আপনার পছন্দের আইকনটি অনলাইনে জগতে আগমন ঘটাতে হবে।মানে ছবিটি আপলোড করতে হবে।এটা আপনি যে কোন ভাবে করতে পারেন।চাইলে আপনার সাইটের পূর্বে ব্যবহৃত যে কোন ছবি ব্যবহার করতে পারেন।তবে আপনার অবশ্যই ছবি/আইকনটির লিঙ্ক সংগ্রহ করতে হবে।আর সেক্ষেত্রে আমাদের মজিলা বাবা যথেস্ট সাহায্য করবে।আপনার পছন্দের ছবিটির উপর মাউসের রাইট বাটল ক্লিক করে Copy link location কমান্ড দিয়ে আপনি এই কাজটি করতে পারেন।অথবা যে কোন ইমেজ হোস্টিং সাইট ব্যবহার করতে পারেন।যা ইচ্ছা তাই করুন,দরকার হবে শুধু ছবিটির লিঙ্ক।ব্যস,অর্ধেক কাজ শেষ।

এবার হচ্ছে ব্লগার বাবার কাজ শুরু।সেই চিরায়ত কথা আবার বলছি-"প্রথমে আপনার ব্লগার একাউন্টে লগইন করুন,তারপর ড্যাশবোর্ড থেকে লেআউট নির্বাচন করুন,তারপর Edit HTML নির্বাচন করুন।"
এখন নতুন কথা-
নিচের কোড টুকু খুজে বের করুন।না পারলে মজিলা বাবার Edit মেনুর Find অপশন ব্যবহার করুন।আশা করি হেডার অংশে পেয়ে যাবেন।

<title><data:blog.pageTitle/></title>

পেয়ে গেছেন? পেলেই ৮৫% কাজ শেষ।এবার আপনাকে আরও একটু কস্ট করতে হবে।আর তাহলে নিচের কোড টুকু কপি করে এতক্ষন হারিকেন জ্বালিয়ে যে কোড খুজেছেন তার নিচে পেস্ট করতে হবে।আর URL of your icon file স্থানটিতে আপনার সেই ঐতিহাসিক ছবিটির/আইকনটির লিঙ্কটা পেস্ট করতে হবে।

>link href= 'URL of your icon file' rel='shortcut icon' type='image/vnd.microsoft.icon'/>

এখন আপনার ৯৯.৯৯% কাজ শেষ। হাসবেন না,কারন এখনও আপনাকে একটা কাজ করতে হবে।আর তা হলে টেম্পলেট সংরক্ষন মানে save template বাটনে ক্লিক করতে হবে।ব্যাস,১০০% কাজ শেষ।এবার আপনার ব্লগটা একবার দেখুন।তাহলে দেখবেন আপনার চোখ ছানি করা B দেয়া টেম্পলেটটি আর নেই এবং সে জায়গায় আপনার আইকনটি এসেছে।

দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা দানকারী সেরা ১০টি দেশঃ

১.দক্ষিন কোরিয়া (স্পিড 17,187 kb/s )

২.জাপান (স্পিড 16,365 kb/s )

৩.লিথুয়ানিয়া (স্পিড 11,295 kb/s )

৪.সুইডেন (স্পিড 11,280 kb/s )

৫.রোমানিয়া (স্পিড 10,236 kb/s )

৬.লাটভিয়ান (স্পিড 9,782 kb/s )

৭.বুলগেরিয়া (স্পিড 9,074 kb/s )

৮.নেদারল্যান্ড (স্পিড 8,734 kb/s )

৯.জার্মানি (স্পিড 7,447 kb/s )

১০.রাশিয়ান ফেডারেশন (স্পিড 7,260 kb/s )

সর্বোচ্চ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ১০টি দেশঃ

1.United States

2.China

3.Japan

4.Germany

5.India

6.Brazil

7.United Kingdom

8.South Korea

9.France

10.Italy

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যদি জানতে চান তবে দেবার মত তথ্য এটুকুই আছে যে বাংলাদেশের মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারি সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত প্রায় ৬ মিলিয়ন। যার অধিকাংশ মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারী।

কম্পিউটারের উপর নির্ভরশীল হওয়াতে কম্পিউটার সবসময় ভাল থাকা চাই । আর কম্পিউটার ভাল রাখতে চাইলে আপনাকে কিছু কাজ করতে হবে । নিচে কম্পিউটার ভাল রাখার কিছু টিপস দিলাম। আশা করি যারা বিষয়গুলো জানেন না তারা উপকৃত হবেন ।
১। অপ্রয়জনীয় সফটওয়্যার ইনস্টল করা থেকে বিরত থাকুন।
২। কাজ শেষ হয়ে গেলে যে সব সফটঅয়্যার আপাতত আর কাজে লাগবে না, সেগুলি আনইনস্টল করুন।
৩। সপ্তাহে অন্তত একবার ডিক্স ডিফ্রাগমেন্ট করুন।
৪। রিলায়েবল একটি আপডেটেড অ্যান্টিভাইরাস ইউজ করুন, একাধিক এন্টিভাইরাস ইনস্টল করবেন না, পিসিকে স্লো করে দেবে।
৫। কিছু কমান্ড এর মাধ্যমে কম্পিঊটার পরিস্কার রাখতে পারেন যেমন-Start Menu ক্লিক করে Run ক্লিক করুন লিখুন %Temp% এরপর Ok-তে ক্লিক করুন, দেখবেন অনেক File এসেছে এগুলি ডিলিট করুন। এতে পিসির সিস্টেম ড্রাইভের জায়গা বাড়বে।
৬। আবার Start Menu ক্লিক করে Run ক্লিক করুন লিখুন Temp এরপর Ok- তে ক্লিক করুন, দেখবেন অনেক File এসেছে এগুলি ডিলিট করুন।
৭। আবার Start Menu ক্লিক করে Run ক্লিক করুন লিখুন Prefetch এরপর Ok-তে ক্লিক করুন, দেখবেন অনেক File এসেছে এগুলি ডিলিট করুন।
৮। আবার Start Menu ক্লিক করে Run ক্লিক করুন লিখুন Recent এরপর Ok- তে ক্লিক করুন, দেখবেন অনেক File এসেছে এগুলি ডিলিট করুন।
৯। মাঝে মাঝে Hard Disk চেক করার জন্য Start Menu ক্লিক করে Run ক্লিক করুন লিখুন chkdsk এরপর Ok-তে ক্লিক করুন, দেখবেন Hard Disk চেক হচ্ছে।
১০। প্রত্যেক ড্রাইভে মিনিমাম ১৫% জায়গা খালি রাখুন, এতে পিসির স্পিড বাড়বে।
১১। পিসিতে ডিক্স/পেন ড্রাইভ যাই add করুন না কেন, অবশ্যই ওপেন করার আগে ভালো এন্টিভাইরাস দিয়ে চেক করে
নেবেন।

ভিসা পাওয়ার জন্য কিছু কথা:
১. আপনার পাসপোর্টের মেয়াদ সর্বনিম্ন ৬মাস থাকতে হবে, আবেদন পত্র জমাদেওয়ার দিন যদি ৬মাসের কম থাকে আপনার পাসপোর্টের মেয়াদ, তাহলে আপনি ভিসা পাবেন না
২. অনলাইনে নিজেই ফর্ম পুরণ করবেন, ফরম পুরণ করা শেষ হলে একটা Appointment তারিখ নির্বাচন করুন, মনে রাখবেন, নির্বাচিত তারিখে যদি আপনি ফর্ম জমা না দিতে পারেন তবে, পুণরাই অনলাইনে আবেদন করতে হবেফর্ম পূরণ শেষ হলে ফর্মটি আপনি PDF ফাইল আকারে ডাউনলোড করতে পারবেন, পরে এটা বাইরে থেকে প্রিন্ট করে নিতে পারবেন


আসুন ফর্ম পুরণ করা যাক:
প্রথমে চলুন যাই: http://www.ivacbd.com/general_instruction_for_online_visa_application_form.htmlঠিকানায়আগে বিস্তারিত ভাল করে পড়ুনতারপর Online Visa Application Form এর উপর ক্লিক করুনপেজটি ভাল করে পড়ুন, এরপর Online Visa Application Registration বাটনে ক্লিক করুন
নতুন একটি ট্যাবে ফর্ম চালু হবেউপর থেকে প্রথমেই Temporary Application IDকপি করে রাখুন
সিলেক্ট করুন Indian Mission. যারা খুলনা-সিলেট-ঢাকা-বরিশাল বিভাগের বাসিন্দা তারা “Bangladesh-Dhaka” নির্বাচন করুন, এবং আপনারা আপনাদের ফর্ম ঢাকায় জমা দিতে পারবেন, কিন্তু নিজ বিভাগের(খুলনা-সিলেট) অফিসেও জমা দিতে পারবেন, ঢাকাতে জমা দিলে ফি নিবে ৪০০টাকা এবং ২দিনের মধ্যেই ভিসা পাবেন, আর খুলনায় জমা দিলে ৭-১৪দিন সময় লাগবে এবং ৬০০টাকা লাগবে, আমি সিলেট সম্পর্কে সঠিক জানি না তবে যতটুকু জানি সিলেট অফিসও খুলনা অফিসের মতআসলে খুলনা এবং সিলেটের থেকে সরাসরি ভিসা দেওয়া হয়না, এখান থেকে ফর্ম নিয়ে ওরা ঢাকায় পাঠায়, ঢাকা থেকে ভিসা আসে খুলনা ও সিলেটেতবে ঢাকার+বরিশালের বাসিন্দাগন অবশ্যই ঢাকাতে জমা দিতে হবে http://www.ivacbd.com / ওয়েবসাইটে আপনার বিভাগীয় অফিসের ঠিকানা পাবেন
* ফর্ম এর ভিতরে একটা ফিল্ড আছে যেখানে ওরা জানতে চেয়েছে যে আপনার দাদা-নানা কেউ কি পাকিস্তানে ছিলেন কিনা, দয়া করে এখানে No দিন, না হলে ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম
* ফর্ম পুরণ শেষে যদি Appointmentতারিখ না আসে, তাহলে ১০-১২ ঘন্টা পর http://indianvisaonline.gov.in/visa/ওয়েবসাইটে গিয়ে Appointment তারিখ নিন, যদি না পান, তাহলে আবারও ১২ ঘন্টা পর ট্রাই করুনআমি নিজে ১২ ঘন্টা পর পেয়েছিলাম
* ফর্ম এর একটি ফিল্ডে ভারতে আছেন এমন একজনের ঠিকানা দিতে হবে, যদি আপনার কেউ না থাকে , তাহলে নেটে সার্চ করে যে কোন একটা হোটেলেই নাম+ঠিকানা+ফোন নাম্বার দিয়ে দিন, আর এই তথ্যটি মনে রাখুন, এটি ভারতে প্রবেশের সময় জিজ্ঞাসা করতে পারে
* ফর্ম পুরণ করার সময় আপনাকে উল্লেখ করে দিতে হবে যে আপনি কোন বর্ডার দিয়ে ভারতে প্রবেশ করবেন? এবং শুধুমাত্র আপনার নির্বাচিত বর্ডারদিয়েই আপনি প্রবেশকরতেও ফিরতে পারবেনআগে থেকে গুগল ম্যাপ সার্চ করে যেনে নিন, আমি দর্শনা দিয়ে যাব, কিন্তু এখানকার ভারতীয় বর্ডার এর নাম জানতাম না, গুগল ম্যাপ ঘেটে বের করলাম যে এখানকার ভারতীয় বর্ডার হলো GEDE, তারপর তাই নির্বাচিত করলাম

যে সমস্ত কাগজ-পত্র লাগবে নিম্নে আমি সেগুলির তালিকা দিলাম:
১. অনলাইনে আবেদনের অরিজিনাল কপিঅবশ্যই দুইটি আলাদা A4 পৃষ্ঠায় একপিঠ করে প্রিন্ট করবেন
*(আবেদন পত্রের উপরের ডানদিকে সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড যুক্ত 2”x2”সাইজের ছবি আঠা দিয়ে লাগাতে হবে, তার নিচে ও দ্বিতীয় পৃষ্ঠার শেষে সাইন করতে হবে, সাইনটি অবশ্যই পাসপোর্টের সাইনের সাথে মিল থাকতে হবে।)
২. সর্বশেষ ৩ মাস বা তার অধিক সময়ের ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর ফটোকপি এবং অরিজিনাল কপি দিতে হবে, অরিজিনাল কপির উপর অবশ্যই ব্যাংক এর সিল থাকতে হবে, এবং উক্ত স্থানে ব্যাংক এর যোগাযোগ ফোন নম্বার থাকতে হবেব্যাংক স্টেটমেন্ট এ অবশ্যই ১৬-২০ হাজার টাকার সর্বশেষ ব্যালেন্স দেখাতে হবে পারলে আরও বেশী দেখালে ভাল হয়, ১৬০০০টাকার নিচে ব্যালেন্স থাকলে ভিসা নাও পেতে পারেন!
*অরিজিনাল ব্যাংক স্টেটমেন্টটি পাসপোর্টের শেষ পাতার সাথে স্ট্যাপলিং করে দিতে হবে, এবং এটি ভিসার সাথে ফেরৎ পাবেন
৩. জন্ম নিবন্ধন+জাতীয় পরিচয় পত্র+নাগরিক সনদ এর ফটোকপি দিবেন
৪. ঠিকানার সত্যতার প্রমানের জন্য বিগত ৩ মাসের যে কোন একটি ইউটিলিটি (বিদ্যুত/পানি/টেলিফোন) বিলের ফটোকপি দিবেন, আমি বিদ্যুত বিলের ফটোকপি দিয়েছিলাম
৫. আপনার পাসপোর্ট এর প্রথম ৮ পৃষ্ঠা(১ম থেকে ভিসার পাতা পর্যন্ত) ও শেষ পৃষ্ঠার ফটোকপি দিবেন

কয়েকটি বিষয় না জানলেই নয়:
ক. আপনি যদি মেডিকেল ভিসার আবেদন করেন, তবে পেপারস জমা দেওয়ার সাথে মেডিকেলের পেপার্স গুলাও জমা দিতে হবে, এতে সমস্যাও আছে, আপনি মেডিকেলের জন্য আবেদন করলে ওরা আপনাকে পুরা তিন মাসের ভিসা দিবে না, ১৫ দিন থেকে ২ মাসের ভিসা দিবে, কিন্তু যদি আপনি টুরিস্ট ভিসার জন্য আবেদন করেন, তাহলে আপনাকে ওরা সহজেই ভিসা দিবে, এবং পুরা ৩ মাসেরই ভিসা দিবেতরে টুরিস্ট ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি করা যায় না
খ. আপনার ফর্ম এর কোন তথ্য পরিবর্তন করতে পারবেন না, আবার Appointment Date শেষ না হয়ে যাওয়া পর্যন্ত নতুন করে আবেদন ও করতে পারবেন না, যদি কোন তথ্য ভুল হয়ে যায় , তাহলে Appointment Date এর পরের দিন আবার নতুন করে আবেদন করুন
গ. ফর্ম জমা দেওয়ার অফিসে আপনাকে কোন প্রকার ব্যাগ নিয়ে প্রবেশ করতে দিবে না, তাই একটা ফাইলে করে কাগজ-পত্র নিয়ে যাবেন, ফাইল নিয়ে প্রবেশ করতে দিবে
ঘ. ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর উপর অবশ্যই ব্যাংক এ যোগাযোগ নাম্বার ও ঠিকানা থাকতে হবেম্যানেজার বা অনুমোদিত কর্মকর্তার স্বাক্ষর+সীল থাকতে হবে ব্যাংক স্টেটমেন্টে এ্কাউন্ট নাম্বারটি স্পস্ট হতে হবেকোন একজন ব্যক্তি ব্যাংক স্টেটমেন্টে ১২০০০টাকা দেখিয়েছিলেন, উনি ভিসা পাননি, আমার মতে ২০,০০০টাকা বা তার বেশী দেখাতে পারলে ভাল হয়
ঙ. ফর্ম জমাদেওয়ার পর অফিস থেকে আপনাকে একটি রিসিট পেপার দিবে, এটা হারাবেন না, এটাতে আপনার ভিসা পাওয়ার তারিখ উল্লেখ থাকবে, কিন্তু এই ভাবে উল্লেক থাকবে যে Delivery Not Before 30-Oct-2012. আপনি আপনার ভিসা পাওয়ার তারিখের আগের দিন অনলাইনে Check Visa Status এ ক্লিক করে দেখে নিন যে আপনার ভিসা under processing দেখাচ্ছে কিনা, যদি এটা দেখায়, তাহলে বুঝবেন যে আপনার ভিসা এখনও হয়নিআমার রিসিটে উল্লেক ছিল Delivery Not Before 30-Oct-2012, আমি ২৯ তারিখে স্টাটাস চেক করে দেখতে পারলাম যে এখনও under processing দেখাচ্ছে, ৩০ তারিখ সকালেও একই দেখাচ্ছে, কিন্তু ৩১ তারিখে সকাল ১০ টায় দেখতে পেলাম যে Your Visa has been Processed. তারপরই রওনা হলাম খুলনা অফিসের উদ্দেশ্যে, সেখানে গিয়ে পেয়েও গেলাম, ওখানে লাইনে দাড়িয়ে জানতে পারলাম যে ৩০ তারিখের সবাই ৩০ তারিখে এসেছিলেন, কিন্তু কেউ ভিসা পাননি, আসলে কেউ অনলাইনে চেক করে আসেন নি, শুধু আমিই অনলাইনে চেক করে এসেছি, তাই আমার একটা দিন বেচে গেল
Powered by Blogger.