Showing posts with label Android. Show all posts

পনি যদি সামান্য একটুও গিক টাইপের হয়ে থাকেন, তবে অবশ্যই জানেন যে, অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্সের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু আপনার কম্পিউটারে চলা লিনাক্স সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেম থেকে আলাদা, আপনি কম্পিউটারের লিনাক্স অ্যাপ্লিকেশন অ্যান্ড্রয়েডে চালাতে পারবেন না, কিংবা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন কম্পিউটার লিনাক্স সিস্টেমে চালাতে পারবেন না, কিন্তু কেন? চলুন, এর বিস্তারিত উত্তর খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করা যাক…

লিনাক্স কার্নেল

সর্ব প্রথম আমাদের লিনাক্স সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকা প্রয়োজনীয়। দেখুন, বেশিরভাগ মানুষ লিনাক্সকে অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে আখ্যায়িত করে থাকে, তারা বলে তাদের পিসিতে লিনাক্স ইন্সটল করেছে। কিন্তু পিসিতে লিনাক্স ইন্সটল করা মানে হচ্ছে, লিনাক্সের কোন একটি ডিস্ট্রকে ইন্সটল করা। লিনাক্স কোন অপারেটিং সিস্টেম নয়, এটি একটি কার্নেল, আর প্রত্যেকটি অপারেটিং সিস্টেম চলার জন্য কার্নেল প্রয়োজনীয়। কার্নেল মূলত সিস্টেম সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার গুলোর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে দিতে সাহায্য করে থাকে। অর্থাৎ লিনাক্স নির্ভর অপারেটিং সিস্টেমের কোর হচ্ছে লিনাক্স।
পিসিতে যে লিনাক্স ডিস্ট্র গুলোকে রান করানো হয়, সেখানে শুধু লিনাক্স কার্নেলই থাকে না, বরং লিনাক্সের আরো কিছু স্পেশাল সফটওয়্যার যুক্ত করা থাকে। সেখানে লিনাক্স সফটওয়্যার গুলো রান করার জন্য নিজস্ব পরিবেশ থাকে এবং এক্স গ্রাফিক্যাল সার্ভার থাকে। উবুন্টু, মিন্ট, ডেবিয়ান, ফেডোরা, ইত্যাদি সহ আরো অন্যান্য লিনাক্স ডিস্ট্র গুলোতে লিনাক্স কার্নেল ব্যতিতও আলাদা সফটওয়্যার ইন্সটল করা থাকে। যেমন জিনোম (GNOME) ডেক্সটপ ইনভারমেন্ট ইন্সটল থাকার জন্য বিভিন্ন লিনাক্স ডিস্ট্রতে ডেক্সটপ ইন্টারফেস দেখতে পাওয়া যায়। ধরুন আপনি সার্ভার উপযোগী লিনাক্স ডিস্ট্র আপনার সিস্টেমে ইন্সটল করেছেন, তো সেখানে ডেক্সটপ ইন্টারফেস থাকবে না, কেনোনা সার্ভারে কম্যান্ড ব্যবহার করে কাজ করানো হয়, এখন আপনি যদি এতে ডেক্সটপ পেতে চান তবে অবশ্যই আপনাকে ডেক্সটপ ইন্টারফেস ইন্সটল করতে হবে।
এমনি ভাবে, অ্যান্ড্রয়েড শুধু মাত্র লিনাক্স কার্নেলের উপর তৈরি, কিন্তু এতে লিনাক্সের সফটওয়্যার রান করানোর জন্য আলাদা লিনাক্স সফটওয়্যার গুলো ইন্সটল করা থাকে না। গুগল তাদের অপারেটিং সিস্টেমের কার্নেল হিসেবে লিনাক্স ব্যবহার করে, কেনোনা লিনাক্স ওপেন সোর্স, অর্থাৎ একে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে কাস্টম করা যাবে। গুগল তাদের অ্যান্ড্রয়েডকে নিজের মতো করে কাস্টম করে নেয়। আর লিনাক্স কার্নেল ব্যবহার করার ফলে তাদের নিজে থেকে আর কোন কার্নেল তৈরি করার দরকার হয়না। তাছাড়া অ্যান্ড্রয়েড তো শুধু গুগল একা ব্যবহার করে না, অনেক কোম্পানি তাদের ফোনে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহার করে, এবং তারা সেখানে তাদের নিজস্ব কিছু ফিচার যোগ করতে চায়। যেহেতু লিনাক্স ওপেন সোর্স, তাই তারা নিজের ইচ্ছা অনুসারে কাস্টম করে থাকে।

অ্যান্ড্রয়েড বনাম লিনাক্স

এখন অ্যান্ড্রয়েড লিনাক্সের উপর তৈরি হলেও এটি লিনাক্সের আলাদা ডিস্ট্র গুলো মতো নয়। আগেই আলোচনা করেছি, ডেক্সটপ ডিস্ট্র গুলোতে আরো বিভিন্ন প্রকারের সফটওয়্যার ইন্সটল করা থাকে, কিন্তু অ্যান্ড্রয়েডে তা থাকে না। যখন অ্যান্ড্রয়েড বুট হয়, তখন সেটা লিনাক্স আকারেই বুট হয়, কিন্তু বুট হওয়ার পরে অ্যান্ড্রয়েডের নিজস্ব একটি ভার্চুয়াল মেশিন রান হয়, যেটা জাভা দ্বারা তৈরি করা সফটওয়্যার গুলোকে রান করতে সক্ষম। মানে, আপনি একভাবে বলতে পারেন, অ্যান্ড্রয়েড হলো লিনাক্সের উপর রান হওয়া একটি ভার্চুয়াল মেশিন।
বিষয়টিকে আরো পরিষ্কার করার জন্য চলুন একটি উদাহরণ নেওয়া যাক, মনে করুন, আপনার কম্পিউটারটি উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমে পরিচালিত। অর্থাৎ আপনার সিস্টেমে অবশ্যই উইন্ডোজ যেকোনো সফটওয়্যার রান করানো সম্ভব। কিন্তু এবার মনে করুন আপনি আপনার কম্পিউটারে একটি ভার্চুয়াল মেশিন সফটওয়্যার ইন্সটল করলেন এবং ভার্চুয়াল মেশিনের মধ্যে উবুন্টু ইন্সটল করলেন। এখন ভাল করে সম্পূর্ণ বিষয়টি ভেবে দেখুন, আপনার ভার্চুয়াল মেশিনটি কিন্তু উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের উপর রান করছে, কিন্তু মেশিনের ভেতর ইন্সটল থাকা উবুন্টুতে আপনি উইন্ডোজ সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন না, আবার সেখানের লিনাক্স সফটওয়্যার গুলোকেও আপনি উইন্ডোজে ব্যবহার করতে পারবেন না। ভার্চুয়াল মেশিন সম্পূর্ণ আলাদা পরিবেশ তৈরি করে এবং নিজেই একটি স্বাধীন কম্পিউটারের ন্যায় আচরন করে। ঠিক এইভাবেই, অ্যান্ড্রয়েড লিনাক্সের উপর তৈরি হয়েও ডেক্সটপ লিনাক্স সফটওয়্যার গুলো সমর্থন করে না।
আবার লিনাক্স ডিস্ট্র গুলোও অ্যান্ড্রয়েড সফটওয়্যার গুলোকে সমর্থন করে না। কেনোনা লিনাক্স ডিস্ট্র গুলো লিনাক্স সফটওয়্যার রান করানোর জন্য তৈরি করা হয়, এবং এতে কোন ভার্চুয়াল মেশিন ইন্সটল করা থাকে না, যেটা জাভা অ্যাপ্লিকেশন গুলোকে রান করাতে পারে। তবে অ্যান্ড্রয়েড এবং লিনাক্সের আলাদা ডিস্ট্র গুলোর মধ্যে একটি জিনিষ কমন, তা হলো এটি টার্মিন্যাল সমর্থন করে। অর্থাৎ অ্যান্ড্রয়েডকে আপনি বিভিন্ন লিনাক্স কম্যান্ড প্রদান করাতে পারবেন। কিন্তু বেশিরভাগ লিনাক্স কম্যান্ড রান করানোর জন্য অ্যান্ড্রয়েডটি রুটেড থাকা প্রয়োজনীয় নয়, কেনোনা টার্মিন্যাল ঠিকঠাক মতো চলার জন্য রুট পারমিশন ডিম্যান্ড করে।
লিনাক্স ডিস্ট্র গুলোতে যদি অ্যান্ড্রয়েড ভার্চুয়াল মেশিন ইন্সটল করা যায়, তবে সহজেই লিনাক্স কম্পিউটারে অ্যান্ড্রয়েড সফটওয়্যার গুলোকে ইন্সটল করা এবং রান করানো সম্ভব হবে। যেমনটা আপনারা উইন্ডোজ কম্পিউটারে দেখে থাকবেন, ব্লুস্টাকস নামের একটি প্রোগ্রাম, যেটা ভার্চুয়াল মেশিনের উপর রান হয়ে আপনার পিসিতে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন চলাতে সাহায্য করিয়ে থাকে। গুগলের ক্রোম ওএস ও কিন্তু লিনাক্সের উপর তৈরি, কিন্তু এতেও এক্স সার্ভার থাকে না, ফলে এতে লিনাক্সের সফটওয়্যার গুলো রান করানো সম্ভব নয়। অ্যান্ড্রয়েডের মতো ক্রোম ওএস ও লিনাক্সের অন্যান্য ডিস্ট্র গুলোর অনেক কাছাকাছি, সেখানে কিছু উন্নতি করন করলে লিনাক্স সফটওয়্যার গুলোকে রান করানো সম্ভব হবে। অপরদিকে উবুন্টু মোবাইল ওএস একেবারেই লিনাক্সের মতো, এখানে আপনি মোবাইলে ডেক্সটপ লিনাক্স ব্যবহার করার মতো ফিচার গুলো পাবেন।

শেষ কথা

আশা করছি, এই আর্টিকেলটি পড়ার পরে অবশ্যই আপনার মনের সকল প্রশ্ন গুলোর পরিষ্কার উত্তর পেয়ে গিয়েছেন, কেন অ্যান্ড্রয়েড লিনাক্স এর উপর কাজ করার পরেও এটি লিনাক্স থেকে আলাদা। লিনাক্সের ডেক্সটপ ডিস্ট্র এবং অ্যান্ড্রয়েড, দুই ব্যাপার দুইভাবে তৈরি করা হয়েছে, কেনোনা এদের ব্যবহার আলাদা আলাদা। তবে আপনি চাইলে আপনার কম্পিউটারে অনেক সহজেই অ্যান্ড্রয়েড সফটওয়্যার রান করাতে পারেন, ঠিক অ্যান্ড্রয়েডেও ভার্চুয়াল মেশিন ইন্সটল করে যেকোনো পিসি সফটওয়্যার রান করানো সম্ভব। আমি নেক্সট কোন এক আর্টিকেলে বর্ণনা করবো, কিভাবে লিনাক্স কার্নেলের উপর আপনি নিজের অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করবেন।

আমরা সবাই জানি স্মার্টফোনের ব্যাটারিতে চার্জ না থাকা একটি বড় সমস্যা। চার্জ না থাকার ভয়ে গান শোনা বা ইন্টারনেট ব্যবহার থেকেও বিরত থাকতে হয় অনেক সময়। তবে এখন থেকে আর এ নিয়ে চিন্তা নেই। কারণ অ্যান্ড্রয়েডের নতুন ফিচার ব্যাটারির চার্জ বাঁচাবে!


জানেন কি?

আসলে কি কারণে বা কোন অ্যাপ ব্যাটারির চার্জ খাওয়ার জন্য দায়ি তা আমরা ঠিক মতো বুঝতেও পারি না। এই সমস্যার জন্য অ্যান্ড্রয়েডের নতুন অপারেটিং সিস্টেম একটি সমাধান নিয়ে আসতে চলেছে।
গুগল ১৭ মে শুরু হওয়া আই/ও ডেভেলপার সম্মেলনে বেশ কিছু ঘোষণার সঙ্গে অ্যান্ড্রয়েডের নতুন অপারেটিং ‘ও’ এর বেশ কিছু ফিচারেরও ঘোষণা করা হয়। বর্তমান ব্যবহারকারিদের ফোনে যে ব্যাটারি মেনুটি রয়েছে সেটি আপনাকে ব্যাটারি সেভার মোডে টগল করতে ও প্রতি অ্যাপের পরিসংখ্যান দেখায়, তবে এটি আসলে কার্যকর নয়। এজন্যই নতুন সংস্করণটি আরও বেশি উপযোগী করা হচ্ছে যা ব্যাটারি মেনুতে অভিযোজিত উজ্জ্বলতা ও ব্যাটারি শতাংশ আইকন সম্পর্কিত বৈশিষ্ট্যগুলি গ্রাহকদের প্রদর্শন করবে।
ম্যাশেবল বলেছে, এই ফিচারের সক্রিয় ব্যবহার, ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহার ও প্রতিটি অ্যাপের ব্যাটারি ব্যবহারের জন্য বিস্তারিত পরিসংখ্যান দেখা যাবে। আবার সে অনুযায়ী অ্যাপ্লিকেশনটি বন্ধ করে দিতে কিংবা আনইনস্টল করা যাবে। তাই নির্দিধায় বলা যায়, নতুন এই রিডিজাইন প্রতিষ্ঠানের ব্যাটারি লাইফে মনোযোগ দেওয়াকেই নির্দেশ করে থাকে। যে কারণে বিশ্বব্যাপী অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারিদের অভিজ্ঞতা আরও উন্নত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গুগল এবার আনতে চলেছে নতুন অপারেটিং সিস্টেম ‘এন্ড্রয়েড গো’। এই ‘এন্ড্রয়েড গো’ সম্পূর্ণ নতুন একটি সংস্করণ হিসেবে বাজারে আসবে।



প্রতি বছরই গুগল তাদের বার্ষিক সম্মেলনে নতুন নতুন সব জিনিস নিয়ে আলোচনা করে। এছাড়া নতুন কি আসছে সেগুলোর ঘোষণা দেওয়া হয়। তারই ধারাবাহিকতায় এবার গুগল একটি নতুন অপারেটিং সিস্টেম আনার ঘোষণা দিয়েছে। এটি মূলত এন্ড্রয়েড এর মতোই, তবে একটু ভিন্নভাবে তৈরি করা হয়েছে। মূলত এটি সম্পূর্ণ নতুন একটি সংস্করণ। এই নতুন সংস্করণটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘এন্ড্রয়েড গো’।
জানেন কি?
 


জানানো হয়েছে, এটি মূলত বানানো হয়েছে কম দামি স্মার্টফোনের জন্য। কম দামি স্মার্টফোন সাধারণত কম স্পেসিফিকেশনের হয়ে থাকে। এটি এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে যাতে র্যাম কম হলেও কোনো সমস্যা হবে না।
১ জিবি এর কম র্যাম এমন ফোনেও এটি ভালোভাবে চলতে পারবে। আবার অন্যদিকে এই অপারেটিং সিস্টেমে অ্যাপ সাইজও হবে কম। যে কারণে স্টোরেজও কম লাগবে। সে কারণে ‘এন্ড্রয়েড গো’ এর জন্য পৃথকভাবে ইউটিউব অ্যাপ ‘ইউটিউব গো’ বানানো হবে। এটি হবে ইউটিউবের লাইট ভার্সন। প্রাই সব অ্যাপই ১০ এমবি এর মধ্যে আনা হবে বলে জানানো হয়েছে।

এইবার নিয়ে নিন android এর জন্য দারুন ১৫ টি  Launcher এর পেইড ভার্সন,আশা করি সকলের ভালো লাগবে।
Launcher সম্পর্কে তো নতুন করে আর কিছু বলার নেই,সকলেই এ সম্পর্কে ভালো মতই জানেন,এন্ড্রয়েড এর জন্য অনেক অনেক Launcher রয়েছে।বিভিন্ন ডেভেলপার তৈরী করেছে বিভিন্ন রকমের Launcher.তাছাড়া রয়েছে বিভিন্ন ভার্সন,রয়েছে ফ্রী এবং পেইড ভার্সন।
আজ এই Launcher নিয়েই আমার এই টিউন।যেসকল Launcher গুলো Top এ আছে সেগুলো নিয়েই আমার এই টিউন,তবে আজ যেই Launcher গুলো দিচ্ছি সবই পেইড ভার্সন,এগুলো কিনতে হলে অবশ্যই আপনাকে ডলার গুণতে হবে,তবে বিজয়ের মাস উপলক্ষে সব দিচ্ছি ফ্রীতে।চলুন নিজ থেকে নামিয়ে নেয়া যাকঃ


1-Go Launcher Pro
Link: এখানে ক্লিক করুন


2-Smart Launcher Pro 3
Link: এখানে ক্লিক করুন


3-Xperia Launcher [Fastest Launcher]
Link: এখানে ক্লিক করুন


4-Action Launcher 3 Plus
Link: এখানে ক্লিক করুন


5-Lightning Launcher
Link: এখানে ক্লিক করুন


6-Lollipop Launcher Plus
Link: এখানে ক্লিক করুন


7-Next Launcher 3D Paid
Link: এখানে ক্লিক করুন


8-iLauncher Pro
Link: এখানে ক্লিক করুন


9-Nova Launcher Prime
Link: এখানে ক্লিক করুন


10-S Launcher [S6 Launcher]
Link: এখানে ক্লিক করুন


11-MarshMallow Launcher
Link: এখানে ক্লিক করুন


12-Windows 10 Launcher Pro
Link- এখানে ক্লিক করুন


13-Nokia Z Launcher Beta
Link: এখানে ক্লিক করুন



ডাউনলোড করতে কোন প্রকার সমস্যা হলে নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করুনঃ

কিভাবে ডাউনলোড  করবেন?
  1. প্রথমে Download Now  এ ক্লিক করুন
  2. ২য় পেজে click here to download এ ক্লিক করুন

3
পিসি তে ডাউনলোড করতে কোন সমস্যা হবে না, কিন্তু তাও কোন সমস্যা হলে ফায়ারফক্স ইউস করতে পারেন। মোবাইল থেকে ডাউনলোড করতে সমস্যা হলে uc browser থেকে ডাউনলোড করুন।  uc browser থেকে ডাউনলোড করতে কোন সমস্যা হবে না। চিত্রের যায়গায় ক্লিক করলেই ডাউনলোড হবে।

Es File manager হচ্ছে বেস্ট Android File Explorer.আপনারা সবাই এৱ সাথে পরিচিত কম বেশ এবং অনেকে অনেক ধরনেৱ ফাইল Manager ইউস করেন,আজ আপনাদের সাথে Es File manager এৱ Latest Version Share করব৷আমি বেশি কিছু বলতে চাই না,আপনারা ডাউনলোড করে ইউস করে দেখেন৷সুধু বলব একবাৱ ইউস করার পরে You will Love it,এন্ড আপনি আৱ কিছু ইউস করতে চাইবেন না৷ In addition, you can also decompress ZIP or RAR file, access the contents of a document with a variety of files, and even access the contents of your computer via a WiFi network.
আপনি এর মাধ্যমে  Cut / Copy / Paste, Move, Create, Delete, Rename, Search, Share, Send, Hide, Create Shortcut, Bookmark,crompress rar,decompress rar/zip and আরো অনেক কিছু৷

Features:

File Manager – Manage your files as you would on a desktop or laptop using several options such as Cut / Copy / Paste, Move, Create, Delete, Rename, Search, Share, Send, Hide, Create Shortcut, Bookmark and others.
Application Manager – categorize, uninstall, backup, and create shortcuts to your application.
Remote File Manager – when activated, manage files on your device from your computer.
Built-in ZIP and RAR – allows you to compress and decompress files ZIP / RAR and create encrypted (AES 256 bit) ZIP files.
Built-in viewers for the various file types, including photos, music, video, etc.
Thumbnails images.
Text viewers and editors.
Access your desktop via WiFi with SMB.
And many others.

DOWNLOAD






Es File Manager-  Download link
ভাল থাকবেন সবাই। দেখা হবে পরের টিউনে।

আসসালামুয়ালাইকুম, আশা করি আপনারা সবাই আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি। আজ আমি আপনার রুট ফোনের জন্য দারুন এপ নিয়ে এলাম যা আপনার ফোনের কার্যক্ষমতা বারাবে আর ব্যাটারীর চার্জ খুব কম যাবে।
একে কিছু ভাগে ভাগ করে যায়

Hibernator ম্যানেজার প্রিমিয়াম
অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস আপনি যখন  ব্যবহার করবেন না, তখনও  যখন সব সময় কাজ করে ! হাইবারনেশন ম্যানেজার তখন কাজ করবে  আপনি আপনার ডিভাইস ব্যবহার করবেন না যখন আপনি ব্যাটারি সংরক্ষণ করতে সাহায্য করে. পর্দা বন্ধ যায়, এটা আপনার প্রসেসর (সিপিইউ), সেটিংস এবং আপনার ব্যাটারী ক্ষমতা সংরক্ষণ করবে  অ্যাপ্লিকেশন hibernates.

CPU- র হাইবারনেশন
সিপিইউ হাইবারনেশন স্বয়ংক্রিয়ভাবে. বিশাল ব্যাটারি সঞ্চয় নিশ্চিত করে যা  সর্বনিম্ন সম্ভব ফ্রিকোয়েন্সি এবং ভোল্টেজ CPU- র (প্রসেসর) সেট  করে। 
CPU- র "আপনার ডিভাইসের মস্তিষ্কের মত " ক্রমাগত অনেক চাহিদা কর্ম নির্ণয় করে. উদাহরণস্বরূপ:, উইজেট আপডেট সফটওয়্যার আপডেট ইত্যাদি জন্য চেক এই কম্পিউটিং শক্তি ব্যাটারি অনেক নির্গমন এবং আপনি এটি প্রয়োজন নেই, যখন ব্যবহৃত হয়.
সেটিংস হাইবারনেশন
আপনার পর্দা বন্ধ করার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে (hibernated) নিষ্ক্রিয় করা হবে,  সেটিংস চয়ন করুন এবং আপনার পর্দায় যখন সক্রিয়.
যদি আপনি ঘন ঘন আপনার সেটিংস পরিবর্তন না চান  বা আপনি আরও ব্যাটারি সংরক্ষণ করতে চান, তাহলে এই অপশনটি আপনার জন্য উপযুক্ত.এটা এই মোড স্বয়ংক্রিয়ভাবে শুধুমাত্র বর্তমানে সক্রিয় সেটিংস হাইবারনেট হবে, কারণ, সব সেটিংস জন্য সক্রিয় হাইবারনেশন আছে ভাল.
আপনি সেটিংস হাইবারনেশন আবেদন করতে পারেন: ওয়াইফাই, মোবাইল তথ্য (APN নিউজ অ্যান্ড), ব্লুটুথ (বিটি)

অ্যাপ্লিকেশন হাইবারনেশন
যখন পর্দা বন্ধ. ব্যাটারি আহরণ Apps নিষ্ক্রিয় করা হবে, যা (hibernated) চয়ন করুন
আপনার ইনস্টল Apps এর কিছু ক্রমাগত ব্যাকগ্রাউন্ডে ব্যাটারি আহরণ কর্ম সম্পাদন করছে . উদাহরণস্বরূপ: সামাজিক অ্যাপ্লিকেশন নতুন বার্তার জন্য আপনার অবস্থা এবং চেক আপডেট করতে সক্ষম. আপনি এই অ্যাপ্লিকেশন হাইবারনেট করতে পারেন, তাহলে তা চরম ব্যাটারি সঞ্চয় ঘটায় যা পটভূমি (সেবা) চলমান সমস্ত কর্ম বন্ধ হয়ে যায়. হাইবারনেশন টাস্ক হত্যাকারী বা অন্য কোন মেমোরি ক্লিনার বেশী কার্যকর.
আরও কিছু যানার জন্য এই লিঙ্কে যেতে পারেন
ডাউনলোড লিঙ্ক   Hibernation Manager Premium v2.1.0 (1.8MB) | Mirror Link

এন্ড্রয়েডে ব্রাইটনেস আমাদের চোখের অনেক ক্ষতি করে যেটা আমরা নিজেরাই বুঝতে পারি। কারণ অনেকক্ষণ ধরে ফোন ব্যবহার করলে চোখ দিয়ে পানি বের হয়ে আসে।ফোনের ব্রাইটনেস একদম কমালেও সেটা যথেষ্ট হয়না মাঝেমাঝে। এই টাইপের অনেক এপ থাকলেও এই এপ টাকেই আমার বেস্ট মনে হয়। অন্য এপ দিয়ে আলো কমালে এপ ইন্সটল নিতে চায়না,কিন্তু এটি সব দিক দিয়েই পারফেক্ট। সাইজে ছোট্ট হলেও কাজে বড়ই ওস্তাদ।কথায় আছে না ছোট মরিচের ঝাল বেশি!!
★এপের নাম:Shades.Apk
★ভার্সন :v1.3.1
★সাইজ:১২৯ কেবি!!
★রিকোয়ারমেন্টস : Android 2.3 & Up
ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।

এন্ডয়েডের প্যাটার্ণ লক ভূলে গেছেন বা আপনার মোবাইলে দেওয়া পাসওয়ার্ড আপনার মনে পড়ছে না?
প্যটার্ন লক বা পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়ার কারণে ডিভাইসে এক্সেস করতে সমস্যা হচ্ছে? আজ ২টি সমাধান নিয়ে এসেছি আপনাদের জন্য..
.
সমাধান-১ :
.
এ কাজের জন্যে অবশ্যই সেটের ইন্টারনেট কানেকশন এক্টিভেটেড থাকতে হবে। ৫বার ভুল ইনপুট করুণ। এরপর একটি অপশন আসবে, Forgot Pattern? এটা ওপেন করুণ। ওপেন করার পর আপনার গুগল একাউন্ট অর্থাৎ জিমেইল আই.ডি এবং পাসওয়ার্ড চাইবে। ঠিকঠিক মতো ইনপুট করুণ। সফলভাবে জি- মেইল আই.ডিতে লগইন করাশেষে আপনাকে নতুন প্যটার্ণ লক দিতে বলা হবে। নতুন প্যটার্ণ একটিভ করুণ এবং এবারে অবশ্যই সহজে মনে থাকে এমন কোন প্যাটার্ণ ড্র করুণ। অনেক সময় এই প্রসেস সঠিক হওয়া সত্ত্ব আপনার মোবাইল
লক অবস্থাতে থেকে যাচ্ছে..
তাই ২য় সমাধান আপনাদের জন্য শেষ এবং উপযুক্ত সমাধান হতে পারে..
.
সমাধান-২:
.
ইন্টারনেট কাণেকশন প্রয়োজন নেই। এ সময়ে ডিভাইসটিকে ফ্যাক্টরী রিষ্টোর করা ছাড়া কোন উপায় থাকে না। এসময় আপনাকে ফ্যক্টরী রিষ্টোর করতে হয়। বলে রাখা ভালে যে আপনার পুরো মোবাইল ফরমেট নিয়ে নিবে। ইন্সটল করা সফটওয়্যারে, ফোন নাম্বার, মেসেজ কিছুই থাকবে না।
জেনে নিন কিভাবে সিষ্টেম হার্ড রিসেট করবেন .
1. প্রথমে নিশ্চিত হয়ে নিন যে, আপনার ডিভাইসে পর্যাপ্ত চার্জ মজুত আছে, যাতে প্রসেসটি চলাকালীন সেট বন্ধ হয়ে না যায়..
.
2. ডিভাইস বন্ধ করুণ এবং চালু করার সময় Volume up+power button অথবা Down +power button একসাথে প্রেস করে সেট অন করুণ।
.
এটা আপনাকে রিকোভারী মুডে নিয়ে যাবে.. রিকোভারী মুডে যাওয়ার জন্যে এটা ছাড়াও বিভিন্ন কোম্পানীর সেটে আরো কিছু কম্বিনেশন কাজ করতে পারে সেগুলো হলো:
১. Volume Down + Volume Up + Power
button.
২. Volume Down + Power button.
৩. Volume Up + Power button.
৪. Volume Up + Home + Power button.
৫. Volume Up + Camera button.
৬. Home + Camera button.
৭. Home + Power button.
আমি নিশ্চিত উপরের ৭টির যেকোন একটি কম্বিনেশন কাজ করবেই..
কম্বিনেশন দিয়ে ডিভাইস অন করার পর রিকোভারী মুড এ যাবেন..
“Wipe Data / Factory Reset” সিলেক্ট করুণ.. (এক্ষেত্রে ভলিউম আপ ডাউন কি দিয়ে সিলেকশনের কাজ করতে হবে..)এরপর নো এবং ‘ইয়েস’ এর মধ্য থেকে ‘ইয়েস’ সিলেক্ট করুণ..
Powered by Blogger.