Showing posts with label Tips and Tricks. Show all posts

ফেইসবুক হচ্ছে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় সোস্যাল নেটওয়ার্কিং ওয়েবসাইট এবং অনেক লোকই চায় অন্যের ফেইসবুক আইডি হ্যাক করতে। কিন্তু তাদের জন্যে একটি দুঃখের সংবাদ হচ্ছে বলতে গেলে প্রায় কেউই সরাসরি ফেইসবুক সার্ভার নিজের দখলে নিয়ে যে কারো আইডি হ্যাক করতে সক্ষম নয়।


ফেইসবুকের আছে অনেক লোক সমৃদ্ধও একটি সিকিউরিটি স্পেপালিস্টদের টিম যারা রাতদিন কাজ করে ফেইসবুকের নিরাপত্তা বজায় রাখে। তবে ফেইসবুক সার্ভারে সরাসরি দখল নিয়ে ফেইসবুক আইডি হ্যাক করতে না পারলেও নানান পদ্ধতির মাধ্যমে ভিকটিম কে বোকা বানিয়ে তাদের মেইল আইডি এবং ফেইসবুক পাসওয়ার্ড নিজের দখলে আনা যায়। আপনারা সবাই ফিশিং মেথডটির কথা জেনে থাকবেন আশা করি...যারা জানেন না আশা করি আজকে তারাও এই বিষয়টি সম্পর্কে জানবেন এবং আগামীতে এটা থেকে সতর্ক থাকবেন। এই টিউনটিও শিক্ষনীয় উদ্দেশ্যে লেখা, কারো ক্ষতির জন্যে না।
ফিশিং মেথড হচ্ছে সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম ফেইসবুক আইডি হ্যাক করার। ফিশিং এর কাজ হচ্ছে,স্ক্যামিং এর মাধ্যমে ভিকটিমের ই-মেইল এবং ফেইসবুক আইডির পাসওয়ার্ড আপনার কাছে পৌছিয়ে দেওয়া। ফিশিং বর্তমান সময়ে ইউজার একাউন্ট হ্যাক করার সবচেয়ে জনপ্রিয় মেথড।
হ্যাকার যদি আপনার উপরে সফলভাবে এই এট্যাকটি করতে সক্ষম হয় তাহলে আপনার একাউন্ট সম্পুর্ন হ্যাকারের হাতে চলে যাবে।
ফিশিং এর ডেক্সটপ ভার্সন বা কিভাবে ফিশিং ডেক্সটপে ব্যবহার করা যায় তা নিয়ে অনেক টিউটোরিয়াল হলেও মোবাইল ফোন দিয়ে কিভাবে ফিশিং অপারেট করতে হয় সে সমন্ধে তেমন বেশী টিউন টিউন করা হয়নি টেকটিউনসে।
আজকের টিউনে আমি দেখাবো কিভাবে মোবাইলের মাধ্যমেই ফিশিং হোস্টিং সেটাপ করতে হয় এবং আরো একটি জিনিস দেখাবো আপনারা অনেকেই এই সমস্যাটির সম্মুখিন হয়ে থাকবেন যে আপনারা কোনো ফ্রি হোস্টিং এ আপনাদের ফিশিং আপলোড করলে কিছুক্ষনের ভিতরে সে ফিশিংটি ডিলিট হয়ে যায় যার কারণ হচ্ছে হোস্টিং কর্তিপক্ষ বুঝতে পারে যে আপনি কোনো অনৈতিক কার্য সিদ্ধির জন্যে ফেইক ফেইসবুক বা অন্য যেকোনো ওয়েবসাইটের ফিশিং তাদের হোস্টিং এ আপলোড করেছেন। তাই সেটা তারা ডিলেট করে দেয়। আজকের টিউনে আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে সেটা বাইপাস করা যায় এবং ফ্রি হোস্টিংএই ফিশিং ব্যবহার করা যায়।
সতর্কতাঃ টিউনটি শুধুমাত্র শিক্ষনীয় উদ্দেশ্যে লিখিত কেউ টিউনের ব্যবহার করে কোনো অপকর্ম করলে টিউনার এবং টেকটিউনস কর্তিপক্ষ কোনোভাবেই দায়ী থাকবেন না।
চলুন তাহলে শুরু করা যাক।

প্রথমেই এই ফাইলগুলো ডাউনলোড করে নিন  এটা রেসপন্সিভ ফেইবুক ফিশিং পেইজ যেটা হোস্টিং এ আপলোড করলে তারা সেটা ডিটেক্ট করতে পারবে না।
জিপ ফাইলটি তে আপনারা নয়টি ফাইল দেখতে পাবেন (data.php, data1.php, index.php, Mobile_Detect.php, desktop.jpg, follow.jpg, login.jpg, desktop_files(folder), users.txt) নিচের স্ক্রিনশটটি দেখুন


এবার আমাদের যা করতে সেটা হচ্ছে ফ্রি ওয়েব হোস্টিং এ সাইন আপ করে ফাইলগুলো আপলোড করে দিতে হবে, মোবাইল থেকে করলে ইউসি ব্রাউজার ব্যবহার করে কাজটি করলে সুবিধা বেশি হবে।
প্রথমেই 000webhost এর সাইনআপ পেইজে যান গুগলে সার্চ করলেই পাবেন, টেকটিউনস হয়তো ঐ লিঙ্ক সরাসরি দেওয়া সমর্থন করে না তাই দিলাম না।
সাইনআপ পেইজে গিয়ে যথাযথ ইনফরমেশন পুর্ন করুন এবং ফ্রি হোস্টিং এ ক্লিক করুন (একটা ব্যাপারে খেয়াল রাখবেন, অবশ্যই সাব-ডোমেইন নির্ধারন করে নিবেন একটি)

রেজিস্ট্রেশনের পরে আপনার ই-মেইলে একটিভেশন মেইল যাবে, সেটাতে ক্লিক করে আপনার একাউন্ট ভেরিফাই করে নিন এবং রিফ্রেশ করুন এড্রেসটি, একাউন্ট একটিভ হওয়ার পরে নিচের স্ক্রিনশটটি দেখতে পাবেন সেখান থেকে Go to Cpanel এ ক্লিক করুন (নিচের স্ক্রিনশটটি দেখুন)

এইবার প্রথমে ফাইল ম্যানেজার আইকনটি ওপেন করুন ফাইল ম্যানেজারস সেকশন থেকে।
(যদি ফাইল ম্যানেজার ওপেন না হয় তাহলে ফাইল সেকশন থেকে এফটিপি পাসওয়ার্ড টি চেঞ্জ করে নিন এবং ৫ মিনিট অপেক্ষার পরে পেইজটি রিলোড করুন এবং ফাইল ম্যানেজার ওপেন করে নতুন পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করুন। এছাড়া একটি ফাইল ম্যানেজার কাজ না করলে আরো দুইটি ফাইল ম্যানেজার দেওয়া আছে সেগুলোও ব্যবহার করার চেষ্টা করতে পারেন)



ফাইল ম্যানেজারে যাওয়ার পরে সর্বপ্রথম আপনারা উপস্থিত হবেন "public_html" ডিরেক্টরিতে এইখানে আগে থেকেই দুইটি ফাইল দেখতে পাবেন ফাইলদুটি ডিলেট করে দিন, এবং আপলোডে ক্লিক করুন

আর্কাইভ সেকশনের এর নিচে ডান পাশে ফাইলস এ ক্লিক করুন এবং ফাইল ম্যানেজারে ক্লিক করুন এইবার ডাউলোড করা জিপ ফাইলটি (যে ফাইলটি টিউনের শূরুতে ডাউনলোড করেছিলেন) সেটা সিলেক্ট করে আপলোড করে দিন


সিলেক্ট করে দেওয়ার পরে আপলোডের জন্যে সবুজ টিক চিহ্নটিতে ক্লিক করুন, আপলোড হয়ে যাবে।
অপেক্ষা করুন সম্পুর্নভাবে আপলোড হওয়ার জন্যে


আপনার কাজ সমাপ্ত হয়েছে এবং সফলভাবে আপনি একটি ফিশিং ওয়েবসার্ভার তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।
জরুরী বিষয়ঃ
এইবার প্রথমেই যে আপনি সাব-ডোমেইনটি নিয়েছিলেন সেটাই হবে আপনার আপলোড করা ফিশিং পেইজের এড্রেস আপনি যে সাব ডোমেইনটি নিয়েছিলেন তার শেষে এই এড্রেসটি যোগ করুন ফিশিং পেইজ দেখার জন্যে, এই জিনিসটি যোগ করা হয়েছে হোস্টিং ফায়ারওয়ালের চোখ ফাকি দেওয়ার জন্যে। যাতে সেটা বুঝতে না পারে এটা একটি ফিশিং পেইজ এই জিনিসটি এড করুন আপনার সাব ডোমাইন নেইমের শেষে /?id=facebook
ধরুন এই ধরনের হবে জিনিসটা : http://www.facebookphishing.com/?id=facebook
নিচের স্ক্রিনশটটি দেখুন


এবার যদি ভিকটিম তার আইডি পাসওয়ার্ড প্রবেশ করায় আপনার ফিশিং এ তাহলে সেটা আবার দেখতে পাবেন ফাইল ম্যানেজারে গিয়ে সেখানে users.txt নামে একটি ফাইলে ভিকটিমদের সবার আইডি পাসওয়ার্ড সেইভ হতে থাকবে সেখান থেকে ভিউ বাটনে ক্লিক করুন তাতেই আপনি আপনার ভিকটিমের ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দেখতে পাবেন।


সবাইকে ধন্যবাদ নিজের মুল্যবান সময় দিয়ে আমার টিউনটি পড়ার জন্যে।


শিরোনাম দেখে আশ্চর্য হচ্ছেন? আশ্চর্য হোন আর যাই হোন, ব্যপারটা আসলেই সম্ভব। ঐদিন টেকটিউনস এর ”সাহায্য” বিভাগে কেউ একজন 3D চশমার ব্যপারে জানতে চেয়েছিল। তারপর থেকে আমিও এ ব্যপারে কৌতুহলী হয়ে উঠি। কিন্তু খোজ নিয়ে জানতে পারলাম যে একেকটি 3D চশমার দাম প্রায় ২৫০০ টাকা! তারপর থেকে বিকল্প কিছু আছে কিনা তা জানতে চেষ্টা করি। এখানে সেখানে ঢু মারতে মারতে একটি ব্লগে এ ব্যপারে বিস্তারিত জানতে পারি। আর তা-ই আপনাদের জন্য তুলে ধরার চেষ্টা করলাম।


3D চশমা বানানোর জন্য যা যা প্রয়োজন-
১। মোটা কাগজ(খাতার মলাট-ও ব্যবহার করতে পারেন)
২। ক্যাচি, পেপার কাটার/ব্লেড
৩। লাল এবং নীল রং এর সেলোপিন(Celopin) পেপার (যেকোন বিয়ের সাজানির দোকানে পাবেন)
৪। আঠা (ফেভিকল হলে ভাল হয়)
মূল্য-তালিকা:
* সেলোপিন পেপার- লাল রং এর একটি + নীল রং এর একটি(১৫+১৫=৩০ টাকা)
* ফেভিকল আঠা – ৩০ টাকা।
* প্রিন্ট খরচ- সর্বোচ্চ ১০ টাকা
আর অন্যান্য জিনিশ(ক্যাচি, ব্লেড/পেপার কাটার, মোটা মলাট) সাধারনত সবার ঘরেই থাকে।
এবার মুল পর্বে আসা যাক। প্রথমে  এখান থেকে   ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন, অথবা ফাইলটি দেখে দেখে ছবিটি প্রথমে একে নিন এবং পরে কেটে নিন মাপ্ মত। আর চশমার পা দুটিও কেটে নিতে ভুলবেন না।
এবার, চশমাটি চোখে দিলে যে পাশটি ডানদিকে থাকে সেপাশে নীল সেলোপিন পেপার আঠা/গাম দিয়ে লাগিয়ে নিন। অনুরুপভাবে অপরপাশে অর্থাৎ বামপাশে লাল সেলোপিন পেপার লাগিয়ে নিন। এবার আঠা দিয়ে পা দুটিও লাগিয়ে নিন।
শুকানোর জন্য ১৫ মিনিট সময় দিন। ব্যস, তৈরি হয়ে গেল 3D চশমা। এবার উপভোগ করুন….।
চাইলে এখান থেকে   (http://farm4.static.flickr.com/3442/3381129221_99713d985c_o.jpg)  কিছু 3D image Download করে নিতে পারেন। অথবা   http://images.google.com এ সার্চ দিতে পারেন।
অথবা ভিডিও প্লেয়ারে থ্রিডি অন করে মুভি উপভোগ করতে পারেন। ২ ডি মুভিতেও কাজ করবে।

আমার চ্যানেলে শীগ্রই থ্রিডি গ্লাস বানানোর ভিডিও টিউটোরিয়াল দেওার চেষ্ট করব। আপনারা পেতে চাইলে চ্যানেল টি সাবস্ক্রাইব করে নিয়েন। ধন্যবাদ।
আজকের টিউন এই পর্যন্তই। আল্লাহ হাফেজ।

আসসালামুয়ালাইকুম, প্রিয় টিউনার, নন-টিউনার এবং সম্মানিত পাঠক-পাঠিকারা। আজকের বিষয় হল PhotoShop এর মাধ্যমে ইমেজ স্লাইসিং করার পদ্ধতি। খুব সম্ভবত সকল Web Designer ভাইয়েরা জানেন ইমেজ স্লাইসিং কি। তবে নবীনদের জন্য আরেকবার বলে দেইঃ
ইমেজ স্লাইসিং এর মাধ্যমে HTML এর সাহায্যে একটি ছবির নির্দিষ্ট অংশকে একটি লিংকে পরিণত করা হয়। তবে নির্দিষ্ট অংশটি একি অবস্থায় একি জায়গায় থাকবে।
একটি ছবি দিলে বিষয়টি ক্লিয়ার হবেঃExample
আমাদের টার্গেট হবে উপরের ছবির হাইলাইট করা অংশতে (চাঁদে এবং সূর্যতে) ক্লিক করলে দুটি পেইজে নিয়ে যাবে।
তো চলন শুরু করা যাক....Please follow the steps below:
  • Photoshop Open করুন।Open PS
  • যে ছবিটি স্লাইস করবেন, তা Open করুন।open pic
  • Slice Tool Select করুন। (Shortcut: K)
  • কাঙ্খিত ছবিটির কাঙ্খিত অংশ স্লাইস টুল দ্বারা সিলেক্ট করুন।
  • এবার স্লাইস টুলের ঘরে রাইট ক্লিক করে Slice select tool সিলেক্ট করুন।
  • এবার Slice করা অংশ Slice select tool দ্বারা সিলেক্ট করুন ও Slice Option এ ক্লিক করুন। নিচের মত সেটিংস দিনঃ
Name: স্লাইসের নাম দিন।
URL: যে পেইজে নিয়ে যাবে তার ঠিকানা। এক্ষেত্রে wikipedia এর লিংক।
Target: পেজটি একই ট্যাবে খুলবে, নাকি আরেকটি ট্যাবে খুলবে, তা বলে দিতে হবে। একই ট্যাবে খুলতে হলে খলি রেখে দিন, আর আরেকটি ট্যাবে খুলতে হলে _blank এই কোডটি লিখে দিন।
Messege Text: স্লাইস অংশটিতে হোভার করলে যে Information Text দেখা যাবে, তা লিখে দিন।
  • OK চেপে File > Save for Web... এ ক্লিক করুন। নতুন একটি Window দেখা যাবে। এখন save এ ক্লিক করে Destination দেখিয়ে দিন, নাম লিখুন এবং আবার Save এ ক্লিক করুন। কোন কিছু Change করার প্রয়োজন নেই।
ব্যাস, শেষ! এবার Save হওয়া পেজটি Browser এ ওপেন করে দেখুন আর নির্দিষ্ট জায়গার ক্লিক করে দেখুন। যদি আমার মত কাজ করেও ফলাফল না পান, টিউমেন্ট তো আছে! প্লিজ মতামত জানাবেন। ভাল হলেও, খারাপ হলেও আর বুঝতে সমস্যা হলে তো কথাই নেই!

আমাদের পাশের দেশ ভারত বর্তমানে এশিয়ায় সফটওয়্যার রপ্তানিতে শীর্ষে । আমাদের দেশ এ ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে। আমাদের দেশকেও এই ক্ষেত্রে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য যে প্লাটফর্ম দরকার ছিল তা দেশে সর্বপ্রথম চালু করল IIT(Institute of Information Technology ) DU. IIT থেকেই প্রথম দেশের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার সার্টিফিকেটধারি (BSc in Software Engineering-BSSE ) মানে তুমি পাশ করলে তোমার প্রথম পরিচয় হবে তুমি একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার । আইটি পড়তে হলে অবশ্যই কিছু জিনিস তোমার মাঝে লালন করতে হবে । সৃজনশীল মানসিকতা, ধৈর্য, সাধনা, চেষ্টা এবং চিন্তাশক্তি ।
প্রথম ভালবাসা হোক প্রোগ্রামিং । প্রোগ্রামার যেভাবে বলবে কম্পিউটার সেভাবেই কাজ করতে বাধ্য । শুধু ঘরে বসে আউটসোর্সিং করে বড়লোক হওয়াই তোমার উদ্দেশ্য নয়। তোমার চিন্তা থাকবে তুমি প্রোগ্রামিং শিখতে চাচ্ছো কারণ বাংলাদেশ যখন চন্দ্রযান পাঠাবে তার নিয়ন্ত্রণকারী কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম লিখবে তুমি, অথবা তুমি ছোট্ট একটা রোবট বানাতে চাও যেটা তোমার টুকিটাকি কাজ করে দেবে। তুমি চাও লক্ষকোটি টাকা দামে বিদেশ থেকে আনা জীবন রক্ষাকারী মেডিক্যাল ইকুইপমেন্ট কম খরচে দেশে বসেই তৈরি করতে । তুমি এমন একজন এক্সপার্ট হতে চাও যে বিভিন্ন কল কারখানা অটোমেটেড করে ফেলতে পারে। অথবা তুমি চাও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে গবেষণা করতে… (এই তালিকা অনেক বড় হতে পারে)
অনেক ভাইয়ারা আছেন যারা হয়তবা এসব মটিভেশন থেকেই এক বসায় সারারাত code করে কাটিয়ে দেন । ল্যাব থেকে বের হতে হতে রাত ৬টা – ৭ টা বেজে গেলেও এটাই স্বাভাবিক – এমন প্রস্তুতি নিও । পুরো বছরধরেই কোনো না কোনো প্রোগ্রামিং কনটেস্ট চলতে থাকে । যেমন ACM-ICPC contest (https://www.facebook.com/ICPCNews ), DUITS, IUT national contest, BUET CSE week etc. বিভিন্ন ভার্সিটি এর স্টুডেন্টদের সমন্বয় এবং নিজেকে যাচাই করা, অন্য কোনো সাবজেক্ট এ পড়লে এভাবে সম্ভবপর হয়না ।
আমি যদি তোমাকে প্রশ্ন করি গুগল কিভাবে লাখ লাখ ওয়েবসাইট থেকে চোখের পলকে দরকারি ডাটা খুজে এনে তোমাকে দেয় ? তুমি কি উত্তর দেবে ??? উত্তর দেবার জন্য তোমার ভাবতে হবে, ভাবার ইচ্ছা থাকতে হবে , তোমার ধৈর্য থাকতে হবে । হা এটা যদি তোমার থাকে , তোমাকে আইটি তে স্বাগতম । এরকম অনেক এলগরিদম নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা একটা কাজ নিয়ে পরে থাকার মত প্যাশন থাকতে হবে । নতুন নতুন আইডিয়া মাথার মধ্যে সবসময় ঘুরপাক খাওয়াতে হবে । বের করে নিয়ে আসতে হবে বেস্ট এর মধ্যে বেস্ট আইডিয়া টা । একটা আইডিয়া তোমার লাইফ এর জন্য মাইলফলক হয়ে থাকতে পারে । Microsoft imagine cup, Banglalink grandmaster, Robi challenge এরকম কিছু আইডিয়া seeking campaign.
মুখস্ত বিদ্যা নিয়ে এই সাবজেক্ট এ খুব বেশি দূর যাওয়া যায়না । স্টেপ স্টেপ এ logic and innovation অ্যাপ্লাই করতে হবে । কারো যদি গণিত , পদার্থ ভালো লাগে তার জন্য আইটিতে ভালো করা সহজ হয়ে যায় । তোমার রেজাল্ট যদি খারাপও থাকে কিন্তু তুমি যদি creative and passionate হও তোমাকে কেউ আটকাতে পারবেনা , এটা যেকোনো আইটি স্টুডেন্ট এর কাছ থেকে গ্যারান্টি পাবা । এ জন্যই মনে হয় ভার্সিটি লাইফ এ গিয়ে বড় ভাইদের কাছ থেকে প্রথম Bill Gates এর কথাটাই শুনেছিলাম “I failed in some subjects in exam, but my friend passed in all. Now he is an engineer in Microsoft and I am the owner of Microsoft.' ”
ফেসবুক কিভাবে এত মানুষের তথ্য সংরক্ষণ করে? এলোমেলো ভাবে সংরক্ষণ করলে তাড়াতাড়ি খুজে পাওয়া সমস্যা, তাই তথ্য সংরক্ষণ করার নির্দিষ্ট কিছু টেকনিক আছে। এজন্য রয়েছে ডাটাস্ট্রাকচার ও ডাটাবেস । অ্যানিমেটেড মুভিতে বা গেমসে আমরা যে এত সুন্দর ছবি দেখি তার জন্য রয়েছে গ্রাফিক্স । কিভাবে মোবাইলে communication ,computer communication, মেইল আদানপ্রদান , facebook এ মেসেজ চালাচালি এসবের জন্য নেটওয়ার্কিং ।
বিভিন্ন co-curricular activities অংশ নিতে পারো । Microsoft Bangladesh এর নানা কার্যক্রমে তুমি অংশগ্রহন করতে পারবে Microsoft student partner হবার মধ্যদিয়ে । BASIS সফটওয়্যার মেলার আয়োজন করে, ওখানে volunteer হতে পারবে । বিভিন্ন international journal এ তোমার research paper পাঠাতে পার । accepted হলে ওরা তোমাকে তাদের দেশে আমন্ত্রন জানাবে । Google apps e তোমার বানানো apps store করতে পারো ।
দেশে প্রথম Microsoft তাদের windows phone এর জন্য apps তৈরির আয়োজন করেছিলো apathon , যেখানে একদিনে ৮০ টির বেশি app তৈরি হয়েছিল এবং এর venue ছিল IIT DU । বাংলাদেশি বংশভুত অস্কার বিজয়ে নাফিস সে কিন্তু একজন সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার । অনেকের প্রশ্ন থাকে ভাইয়া আইটি সেক্টরে জব কেমন ? এখন আইটি এর যুগ । সবার মুখে মুখেই এই কথা শোনা যায় । তুমি কাজ জানলে তোমার জব খোজাঁ লাগবেনা, জব তোমাকে খুজঁবে । Giant organization যেমন Microsoft, Google আমাদের দেশের ভাইয়ারা গর্বের সাথে জব করছেন । Google, Samsung এরা প্রায়ই campus এ এসে recruitment এর আয়োজন করে থাকে । বাংলাদেশে অনেক প্রতিষ্ঠিত আইটি ফার্ম রয়েছে , অনেক মোবাইল কম্পানি , অনেক multinational IT firm আছে ।
তোমার আগ্রহ থাকলে ফ্রীল্যানসার হতে পারবা । প্রতিষ্ঠিত এরকম অনেক ফ্রীল্যানসার উদাহারন তোমার আশে পাশেই আছে । নিজের আইটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পার । গাজিপুর এ আইটি ভিলেজ হতে চলেছে । দেশের বাইরে চাইলে চলে যেতে পারবা ।
নিজের আগ্রহের বিষয়ে ( programming, , web design, networking, database developer, freelancing…. ) দক্ষতা অর্জন করা প্রথম কাজ ।
So , জব নিয়ে পরে চিন্তা করলেও হবে । ইন্টারমিডিয়েটে আইটি সাবজেক্ট পড়ানো শুরু হয়েছে অনেকেই তোমরা জানো ।
কিছু প্রশ্ন অনেকের মনে চলে আসে । ভাইয়া IT আর ICT কি এক ? এক কথায় উত্তর দিলে এক । JU তে বর্তমানে IIT আছে । RU তে ICT । তবে degree কি রকম দেয়া হয় তা জানা নেই ।
মুল প্রশ্ন হল এটা : ভাইয়া IT আর CSE এর মধ্যে পার্থক্য কি ? বিদেশে অনেক আগে থেকেই কম্পিউটার সাইন্স আর সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং দুটি আলাদা শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত । আমাদের দেশে ধারনাটি নতুন । CSE এর কাজ হচ্ছে CS tools গুলোকে ডেভেলপ করা আর IT এর কাজ হচ্ছে CS tools গুলোকে প্রপারলি utilize করা (একটু কঠিন মনে হচ্ছে !! ) IT is a specialized stream of CSE। আমার মতে IT আর CSE জমজ ভাই । একজনের জন্ম আগে, একজনের পরে ।
আমি IIT DU আর CSE DU দিয়ে হাল্কা ধারনা দিচ্ছি :
IIT এর বিশেষত্ত হচ্ছে এখানে তোমাকে নরমাল course গুলোর সাথে আলাদা কিছু specialized course করতে হবে যেখানে সফটওয়্যার প্রোজেক্ট নিয়ে কাজ করতে হবে, simply সফটওয়্যার বানাতে হবে ( পুরো ৬ মাস + ৬ মাস = ১২ মাস ) । IIT এর আর একটি বিশেষ দিক ( যেটার কথাও CSE এর অনেকেই বলবে ) হচ্ছে তোমাকে ৬ মাস industry তে জব ( interne ) করতে হবে ( with salary ). এটা course এর অংশ । কিছু ভাইয়ারা ওখানেই join করে ফেলে , ফলে ৪র্থ বর্ষ এর ক্লাস করতে আসতে চাননা । তাদের স্যাররা জোর করে ধরে নিয়ে আসে ।:p
IT আর CSE এর course গুলো অধিকাংশই মিল আছে । ওয়েবসাইটে এ সম্পর্কে বিস্তারিত দেয়া আছে (http://www.iit.du.ac.bd/index.php?id=48 ) । IT তে অন্যান্য কোর্স এর পাশাপাশি SE কে বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে ।
গত বছর DU ক list এ IT 2nd e fill up হয়ে গিয়েছিল। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ক্লাসরুম এবং ল্যাব তো আছেই (multimedia, document camera system and Internet facilities) আমরা IT আর CSE এর বন্ধুরা একসাথে বসেই চা খাই, আড্ডা দেই , আইডিয়া শেয়ার করি । ল্যাব এ download speed পাওয়া যায় ৪-৫ এমবিপিএস যেটা অনেকের কল্পনার বাইরে । আমরা যারা দুষ্টু তারা LAN এ বসে বসে FIFA, Need For Speed খেলি। আমরা কিন্তু গতবারের DU ক্রিকেট চ্যাম্পিয়ন আর বাস্কেট বল রানার্স আপ অনেক কম্পানি প্রায় এখানে সেমিনার এর আয়োজন করে থাকে ।
যারা ঢাকায় থাক তারা চাইলে DU তে মুকাররম ভবনে এসে আমাদের সাথে এমনকি স্যারদের সাথেও কথা বলে যেতে পারো। u r welcome.
সব শেষে একটা কথা বলব । যে সাবজেক্ট নিয়েই পড় না কেন , তা সম্পর্কে আগে খোজঁ নেও কি কি পড়ানো হয় এবং যদি সত্যি সেগুলো তোমার ভাল লেগে থাকে তাহলেই সেই সাবজেক্ট এ ভর্তি হও । কোনটা ১ নাম্বার সাবজেক্ট , কোনটা ২ নাম্বার , এটার চেয়ে ওটা ভাল এভাবে বিচার না করে , সেটাই ভাল সাবজেক্ট যেটা তোমার কাছে ভাল এভাবে চিন্তা কর । মানুষের তৈরি এই বিভাজন অনুসরন করে নিজের সাথে প্রতারনা করোনা ।

২০১৫ সালের বিদায়ের ঘণ্টা বাজতে চলল, আসছে ২০১৬। প্রতি বছরের মতো ২০১৬ সালেও প্রযুক্তিপণ্যের বাজারে যোগ হবে নতুন অনেক কিছুই। এর মধ্যে কিছু ডিভাইস নিয়ে প্রযুক্তিপণ্যের জগৎ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে বললে ভুল বলা হবে না।২০১৬ সালের সবচেয়ে বেশি প্রত্যাশিত পণ্যগুলো নিয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট সিনেট। জেনে নেওয়া যাক সেই পণ্যগুলো সম্পর্কে:
অকুলাস রিফট ও টাচ:

২০১৬ সাল নিশ্চিতভাবে ভার্চুয়াল রিয়ালিটির (ভিআর) বছর হতে যাচ্ছে। বাজারে আসার কথা রয়েছে একাধিক ভিআর হেডসেটের। ডিভাইসগুলোর মধ্যে সবার আগে অকুলাস রিফট আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। অকুলাস রিফট ব্যবহারের জন্য প্রয়োজন হবে একটি আলাদা পিসির। এক্সবক্স কন্ট্রোলারের সঙ্গেও কাজ করবে এটি। আশা করা হচ্ছে ২০১৬ সালের প্রথম প্রান্তিকেই বাজারে অভিষেক হবে এর।
এইচটিসি ভাইভ:

গেইমিং জায়ান্ট ভালভের সঙ্গে জোট বেঁধে স্মার্টফোন নির্মাতা এইচটিসি বানাচ্ছে ভিআর হেডসেট ‘এইটটিসি ভাইভ’। ২০১৫ সালে বাজারে আসার কথা ছিল ডিভাইসটির। বলা হচ্ছে ডিভাইসটি গেইমারদের সবচেয়ে বেশি কাজে আসবে।
সনি প্লেস্টেশন ভিআর সনি প্লেস্টেশন ভিআর মাইক্রোসফট হলোলেন্স। ছবিঃ সিনেট ও সিবিএস ইন্টারঅ্যাকটিভ। মাইক্রোসফট হলোলেন্স। ছবিঃ সিনেট ও সিবিএস ইন্টারঅ্যাকটিভ।
সনি প্লেস্টেশন ভিআর:
আগে প্রজেক্ট মরফিয়াস নামে পরিচিত ছিল সনির প্লেস্টেশন ভিআর। এর মাধ্যমে ভিআর বাজারে প্রবেশ করে সনি। এটি সনি প্লেস্টেশন ৪-এর সঙ্গে কাজ করবে। এটি ২০১৬ সালের প্রথমার্ধে বাজারে আসার কথা রয়েছে।
 মাইক্রোসফট হলোলেন্স:

মাইক্রোসফট হলোলেন্স হচ্ছে একটি স্ট্যান্ডলোন সিস্টেম যা ব্যবহারকারীর দৃষ্টির আওতায় কম্পিউটারে তৈরি বস্তু দেখাতে পারবে। হলোলেন্সের ডেভেলপমেন্ট কিট ২০১৬ সালে ৩ হাজার ডলার দামে বাজারে ছাড়া হবে।
কাল্পনিক আইফোন ৭ ও ৭এস। ছবি: সিনেট ও সিকারেস। কাল্পনিক আইফোন ৭ ও ৭এস। ছবি: সিনেট ও সিকারেস। স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৭ আর এস৭ এজ –এর কাল্পনিক নকশা। ছবি: সিনেট ও থ্রিডি ফিউচার। স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৭ আর এস৭ এজ –এর কাল্পনিক নকশা। ছবি: সিনেট ও থ্রিডি ফিউচার।
নতুন আইফোন:
বলা হচ্ছে প্রচলিত হোম বাটন সরিয়ে টাচ হোম বাটন আনা হবে নতুন আইফোনে। সেই সঙ্গে হেডফোন জ্যাকও সরানো হতে পারে। বরাবরের মতো সেপ্টেম্বর মাসেই অ্যাপল নতুন আইফোন উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৭ আর এস৭ এজ:

২০১৬ সালে নতুন ডিজাইনে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৭ আর এস৭ এজ আনা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শিল্পীর চোখে আইফোন ৬সি। ছবি: সিনেট ও থ্রিডি ফিউচার। শিল্পীর চোখে আইফোন ৬সি। ছবি: সিনেট ও থ্রিডি ফিউচার। অ্যাপল ওয়াচ ২-এর কনসেপ্ট। ছবি: সিনেট ও এরিক হিউইসম্যান। অ্যাপল ওয়াচ ২-এর কনসেপ্ট। ছবি: সিনেট ও এরিক হিউইসম্যান।
আইফোন ৬সি:
২০১৬ সালে ৪ ইঞ্চি ডিসপ্লের আইফোন ৬সি আনা হবে বলে জোর গুজব রটেছে প্রযুক্তিপণ্যের বাজারে। এটি বাজারের সবচেয়ে ‘সাশ্রয়ী আইফোন’ হিসেবে আইফোন ৫এস-কে প্রতিস্থাপন করবে—বলা হচ্ছে এমনটাই।
অ্যাপল ওয়াচ ২:

আশা করা হচ্ছে ২০১৬ সালের মার্চ মাস বা তার পরে অ্যাপল ওয়াচ ২ উন্মোচন করবে অ্যাপল। অনেকেই আশা করছেন এতে ‘ইন্টিগ্রেটেড ক্যামেরা’ যোগ করা হবে।
নিনটেনডো এনএক্স। নিনটেনডো এনএক্স। টেসলা মডেল এক্স। টেসলা মডেল এক্স।
নিনটেনডো এনএক্স গেইম কনসোল:
২০১৬ সালে ‘নিনটেনডো এনএক্স’ নামে জাপানিজ গেইমিং কনসোল নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির নতুন ‘কনসোল/মোবাইল হাইব্রিড গেইমিং সিস্টেম’ আনার কথা রয়েছে। বর্তমান নিনটেনডো উই ৪-এর সঙ্গে এর কী মিল বা পার্থক্য থাকবে তা এখনও স্পষ্ট নয়।
টেসলা মডেল ৩:
টেসলার নতুন বৈদ্যুতিক গাড়ি মডেল ৩, ২০১৭ সালের আগে রাস্তায় নামছে না। কিন্তু ২০১৬ সাল থেকেই এটির প্রি-অর্ডার নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন টেসলা প্রধান ইলন মাস্ক। ৩৫ হাজার ডলার থেকে শুরু হবে এর দাম।
ইন্টারনেট অবলম্বনে তৈরি

 আসসালামু আলাইকুম

কেমন আছেন সবাই ? আমি আল্লাহর অশেষ রহমতে খুব ভালই আছি। আজ আপনাদের সাথে পিসির অতি গুরুত্বপূর্ণ Boost Speed Premium ভার্সন নিয়ে হাজির হলাম। যা আপনার পিসির সম্পূর্ণ যত্ন নিতে সহায়ক। আপনার পিসির Speed বারাতে এই সফটওয়্যারটির জুরি নেই।

 

এটি ব্যবহার করে আপনি যেভাবে আপনার পিসির Speed বারাবেন।

প্রথমে এই সফটওয়্যারটি দিয়ে আপনার পিসিকে সম্পূর্ণ স্কান করে নিন।

তারপর  Live Spreedup এ ক্লিক করু

এবার আপনি  সব টুলগুলো এনাবেল করে দিন


All Tools

এখানে আপনারা বিভিন্ন টুলস দেখতে পাবেন নীচের চিত্রটি দেখুন। আপনি যদি আপনার পিসির বেস্ট পারফর্মেন্স পেতে চান তাহলে এই টুলস এর Disk defrag, Registry  cleaner, Registry defrag , disk  doctor অপশন এ ক্লিক করে এর সব কাজগুলো সম্পূর্ণ করে দিন।


তারপর  Startup manager  এ ক্লিক করে যেই প্রোগ্রামগুলো আপনার প্রয়োজন নেই সেগুলো Uncheek করে দিন

Download And Activation


প্রথমে নীচ থেকে  Boost Speed Premium 8.1.2.0  নামিয়ে নিন

ডাউনলোড করতে  "Create Download Link" এ ক্লিক করুন

তারপর এখান থেকে Activator নামিয়ে নিন

ডাউনলোড করতে  "Create Download Link" এ ক্লিক করুন

নামানো শেষ হলে Boost Speed Premium  স্বাভাবিক নিয়মে ইন্সটল করেন।। ওপেন করবেন না।  তারপর Activator ফাইলটি ওপেন করেন। তারপর আপনি সফটওয়্যারটি যেই ফোল্ডার এ ইন্সটল করেছেন সেই ফোল্ডারটি দেখিয়ে দিন এবার Patch বাটন এ ক্লিক করেন।। ব্যাস আপনার সফটওয়্যারটি অ্যাক্টিভ হয়ে যাবে।

Your  Program registered

 


কিছু বলার ছিল আপনাদের

  • এই টিউন সম্পর্কে যদি আপনাদের কিছু জানার থাকে বা টিউনটি আপনাদের কাছে কেমন লাগলো তা টিউনমেণ্টে জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।। আমি আপনাদের টিউনমেণ্টের অপেক্ষায় থাকলাম
  • আপনাদের যেকোনো মতামত আমাকে ভাল মানের টিউন করতে উৎসাহিত করবে।। এই টিউনটিতে যদি কোনো ভুল  থাকে বা লিংকে কোন রকম সমস্যা থাকে তাহলে অবশ্যই তা ঠিক করে দেয়া হবে।।
  • আর একটি কথা "কপি পেস্ট বর্জন করুন কারন কপি পেস্ট আপনাকে কোনদিন একজন ভাল মানের টিউনার এর মর্যাদা দেবে না"
  •  সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই কামনায় আল্লাহ হাফেজ।।

আসসালামুআলাইকুম।
কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভাল আছেন।
নাম : Time Stopper
লাইসেন্স : পোর্টেবল
প্ল্যাটফর্ম : উইন্ডোজ
আমরা সবসময় ফ্রি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে চাই। কিন্তু এর জন্য আমাদের কে crk সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। crk ব্যবহার করতে গেলে আবার রিস্ক তাকে ভাইরাস এর। কখনো আমরা সফল হই crk করতে আবার কখনো হই না। এই সমস্যা থকে মুক্তি পেতে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব একটি সফটওয়্যার,যেটির সাহায্যে আপনি ট্রায়াল সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন সারাজীবন।
কিভাবে ব্যবহার করবেন ?
ভিডিও দেখুন
-নিচ থেকে সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করুন
– unrar করে নিন
-এবার সফটওয়্যার টি ওপেন করুন
-C ড্রাইভ থেকে যে সফটওয়্যার টির ট্রায়াল মেয়াদ বাড়াবেন ঐ সফটওয়্যার এর exe ফাইল টি দেখিয়ে দিন
-এবার ডেট টিক করে দিন,যদি আপনার কম্পিউটার এর ডেট ০২/১০/২০১৫ তাকে তবে ডেট দিন ০৩/১০/২০১৫
-সর্টকার্ট নাম দিন
-ক্লিক করুন “ক্রেট ডেক্সটপ সর্টকার্ট”
-এনজয়

ডাউনলোড করুন এখানে

ভাল থাকবেন সবাই, আল্লাহ হাফেজ।

কম্পিউটারে বা ডেস্কটপে শর্টকাটগুলো (desktop shortcut) তৈরি করা হয় যেন প্রয়োজনের মুহূর্তে তাতে ক্লিক করে সহজেই কাঙ্ক্ষিত কাজটি করা যায়। আজ কিছু অপ্রচলিত ডেস্কটপ শর্টকাট দেখাচ্ছি যা কার্যকর এবং আপনার বেশ খানিকটা সময় ও শ্রম বাঁচিয়ে দিবে।

প্রথমে আমরা দেখবো কিভাবে ডেস্কটপে শর্টকাট তৈরি করতে হয়:

ডেস্কটপে মাউসের Right Click করে New এর পর Shortcut এ ক্লিক করুন।5 Really Useful Shortcuts You Can Make In Windows (1)
নিচে উল্লেখ করা যে কোন একটি কোড পেস্ট করে নেক্সট চাপুন5 Really Useful Shortcuts You Can Make In Windows (2)
শর্টকাটটির যে নাম দিতে চান টা লিখে Finish বাটনে ক্লিক করলেই আপনার শর্টকাট তৈরি হয়ে যাবে।5 Really Useful Shortcuts You Can Make In Windows (3)
5 Really Useful Shortcuts You Can Make In Windows (4)

এবার দেখে নিন শর্টকাটের কোড এবং তাদের কাজগুলো:

১. কম্পিউটার লক (computer lock):

কোন কাজে বাইরে যেতে হচ্ছে কিন্তু কম্পিউটার বন্ধ করা যাবে না। আবার চালু অবস্থায় রেখে গেলে অন্য কেউ এসে আপনার ব্যক্তিগত ফাইল ঘাটাঘাটি করতে পারে। এ অবস্থায় কম্পিউটার লক করে যাওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত কাজ। আর এই লক করার শর্টকাটটি যদি আপনার ডেস্কটপেই থাকে তবে কাজটি আর সহজ হয়ে যাবে।
  • কম্পিউটার লকের কোডঃ rundll32.exe user32.dll, LockWorkStation

২. উইন্ডোজ ফায়ার ওয়াল সক্রিয় এবং বন্ধ করা (enable/disable windows firewall):

এমন কিছু সফটওয়্যার আছে যা উইন্ডোজ ফায়ার ওয়াল ডিসএইবল না করলে ইন্সটল করা যায় না। আবার অন্য অনেক প্রয়োজনেও ফায়ার ওয়াল বন্ধ ও সক্রিয় করতে হতে পারে। এই শর্টকাটটি ডেস্কটপে থাকলে সহজ হয়ে যাবে আপনার কাজটি।
  • ফায়ার ওয়াল কোড: netsh firewall set opmode disable

৩. হার্ডওয়ার নিরাপদে রিমুভ করুন (safely remove hardware):

পেন-ড্রাইভ বা এক্সটারনাল হার্ড ডিস্কের কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর তা কম্পিউটার থেকে নিরাপদে খোলার জন্য বেশ কিছু জায়গায় ক্লিক করতে হয়। এই কাজটি আরও সহজে করার জন্য ডেস্কটপে তৈরি করে নিন একটি শর্টকাট।
  • হার্ডওয়ার রিমুভের কোড: RunDll32.exe shell32.dll,Control_RunDLL hotplug.dll

৪. খালি করুন ক্লিপ বোর্ড (clearing clipboard):

আমরা যখন কোন কিছু কপি করি তখন তা ক্লিপ বোর্ড নামে একটি স্থানে সাময়িক ভাবে সংরক্ষিত হয়ে থাকে। আর এই সংরক্ষণের ফলে মেমোরির কিছুটা স্থান তার জন্য ছেড়ে দিতে হয় কম্পিউটারকে। যত বড় ফাইল আপনি কপি করবেন তত বেশি জায়গা ছেড়ে দিতে হবে তার জন্য। ফলে কম্পিউটার ধীর গতির হয়ে পড়তে পারে। এই ক্লিপ বোর্ড পরিষ্কার রাখার জন্য নিচের কোডটি দিয়ে শর্টকাট তৈরি করে নিন।
  • ক্লিপ বোর্ড ক্লিনিং কোড: cmd /c “echo off | clip”
৫. এছাড়া উইন্ডোজের অনেক অপশন আছে যা খুঁজে বের করা জন্য আপনাকে অনেক অনেক স্টেপের ভেতর দিতে যেতে হবে। তার চেয়ে ডেস্কটপে একটি ফোল্ডার খুলুন। আর রিনেম (rename) করুন এই কোডটি দিয়ে।
  • God Mode.{ED7BA470-8E54-465E-825C-99712043E01C}
ফোল্ডারের ভেতরেই পেয়ে যাবেন অসংখ্য প্রয়োজনীয় টুলসের শর্টকাট।
Powered by Blogger.