Showing posts with label Internet. Show all posts

————————–— بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ————————–—
সুপ্রিয় কমিউনিটি, সবাইকে আমার আন্তরিক সালাম এবং শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ সাইট ফেসবুক নিয়ে সাম্প্রতিক গবেষণার ফলাফল নিয়ে আমার আজকের টিউন।সামাজিক যোগাযোগের সর্বশ্রেষ্ঠ প্লাটফর্ম ফেসবুক বিষয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। ৪ ফেব্রুয়ারী ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করলেও মুলত ২০০৬ সালের পর থেকে ফেসবুক এক বিশাল কমিউনিটির রূপ নেয়।
ফেসবুককে আমার কাছে ছোটবেলায় খেলা নোকিয়া ফোনের স্ন্যাক গেইমটার মতো মনে হয়। কারন এটি একের পর এক মানুষদের সংযুক্ত করছে আর আকারে বড় হচ্ছে। বর্তমান সময়ে এটা এমন এক অবস্থায় দাড়িয়েছে যে, কারও ফেসবুক অ্যাকাউন্ট না থাকলে তাকে এলিয়েনদের কাতারে ফেলা হয়। কারন হিসাবে একটি উদাহরণ দিচ্ছি, কিছুদিন আগে ফেসবুকে দেখলাম এক ভাইয়া তার নবজাতকের জন্য একটি আইডি খুলে ফেলেছে। তার সন্তান যখন বড় হবে তখন নাকি সে এই আইডি ব্যবহার করবে। এই বিষয়টা থেকে আপনারা হয়তো বুঝে গেছেন যে ফেসবুক আমাদের জীবনের প্রত্যেকটা ঘটনার সাথে কীভাবে জড়িয়ে গেছে। তবে প্রচার প্রসার এবং ব্যবহারে এগিয়ে থাকার কারনে স্বভাবতই কিছু প্রশ্ন সৃষ্টি হয়, সেটা হলো এটা আমাদের জীবনের জন্য কতোটা উপকারী? সাম্প্রতিক গবেষণায় যে উত্তরগুলো বের হয়ে আসছে আজ সেগুলো নিয়েই আমার সব আয়োজন।

ফেসবুক উচ্চমাত্রার আসক্তি সৃষ্টিকারী সামাজিক সাইট

এই টিউনটি যারা পড়ছেন তাদের মাঝেও অনেকেই ফেসবুকের চরম মাত্রায় আসক্ত রয়েছেন। আর যে কোন কিছুর প্রতি অতিরিক্ত মাত্রায় আসক্তি থাকাটা একটি সামাজিক ব্যাধি হিসাবে ধরা হয়। এবং এই আসক্তির মাত্রা খুব বেশি হলে যেকোন ধরনের ব্যক্তিগত এবং সামাজিক বিপর্যয় সৃষ্টি হতে পারে। আপনি ফেসবুকের প্রতি আসক্ত কিনা সেটা প্রমাণ করার জন্য কয়েকটি প্যারামিটার রয়েছে। আপনি নিজে মিলিয়ে নিন আপনার সাথে কোনগুলো মিলে যায়। তবে সেগুলো আপনার সাথে মিলে যাবে সেগুলো টিউমেন্ট সেকশনে জানাতে ভুলবেন না যেন।

ফেসবুক আসক্তির প্যারামিটার-

  • ফেসবুকে ছাড়া আপনি এক মূহুর্ত চলতে পারেন না। যেকোন ঘটনা ফেসবুকে শেয়ার করতে মন চায়।
  • দিনে একাধিকবার ছবি কিংবা স্ট্যাটাস আপডেট করেন।
  • কোন স্ট্যাটাস আপডেট করার পর মিনিটে মিনিটে নোটিফিকেশন চেক করা।
  • স্ট্যাটাসে লাইক কিংবা টিউমেন্টের জন্য মরিয়া হয়ে থাকেন। অটোলাইক অটো টিউমেন্টের পেছনে সময় শ্রম ব্যয় করেন।
  • আপনার এক বা একাধিকবার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে এবং এসময় আপনি নাওয়া খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন। যদিও এটা একান্তই আমার ব্যক্তিগত অভিমত। কারন যারা ফেসবুক নিয়ে বেশি টেনশন করে তাদের অ্যাকাউন্ট বেশি পরিমাণে হ্যাক হয়।
  • উপরের প্যারামিটারগুলো দেখার পরে যদি আপনার মেজাজ খারাপ হয় তাহলেও আপনি ফেসবুকের প্রতি চরম মাত্রায় আসক্ত। কারন সত্য কথা সব সময় নাকি তিতা লাগে।
  • এই লক্ষণগুলো যদি আপনার মাঝে থেকে থাকে তাহলে আপনি খুব শীঘ্রই মানুষিক এবং সামাজিক বিপর্যয়ের মাঝে পড়ে যাবেন। সুতরাং ফেসবুক থেকে সাময়িক দুরত্ব বজায় রেখে আসক্তি কমানোই শ্রেয়।

ফেসবুক উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে আপনার চিন্তাশক্তি নিয়ন্ত্রন করে

সাম্প্রতিক সময়ে প্রায় ৭ লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারীর উপর গবেষণায় দেখা গেছে যদি তাদের টাইমলাইনে ইতিবাচক কোন বিষয় থাকে তাহলে তাদের চিন্তাভাবনাও ইতিবাচক হয়। অন্যদিকে নেতিবাচক বিষয়গুলোও তাদের চিন্তাভাবনাগুলো নেতিবাচক করে দেয়। তবে গবেষণার ফলাফল যায় আসুক সেটা কিন্তু বেশি গুরুত্বপূর্ণ না। আসল কথা হলো ফেসবুক চাইলেই আমাদের চিন্তাশক্তি তাদের নিজেদের মতো করে তৈরী করতে পারছে। আমরা বিভিন্ন পেইজ, অন্যদের টাইমলাইন ইত্যাদি দ্বারা ডাইভার্ট হয়ে যাচ্ছি। আমাদের চিন্তার জগত ফেসবুকের সাথে মিলে যাচ্ছে। ফেসবুকের যেকোন বিষয়কে আমরা আমাদের বাস্তব জীবনের সাথে মিলিয়ে ফেলছি। ফলে অনেক মিথ্যা সংবাদ এবং তথ্য নিয়ে আমরা বিভ্রান্ত হয়ে যাচ্ছি। এবং সেই আমাদের চিন্তার জগতকে পরিবর্তন করে ফেলছি। ইন্টারনেট ডট অর্গের বিরুদ্ধে প্রচারণাগুলোও কিন্তু একই কারনে হয়েছে। কারন এক্ষেত্রে আমরা কোন কোন কন্টেন্ট দেখবো সেটা আগে থেকেই নির্ধারণ করা। অতিরিক্ত ফেসবুক ব্যবহার আমাদের নিজেদের রিমোট কন্ট্রোলিং সিস্টেম তৈরী করে। কারন চিন্তার স্বাধীনতা না থাকলে ব্যক্তির স্বাধীনতা মূল্যহীন।

ফেসবুক হলো নতুন খেলার মাঠ

ফেসবুক বর্তমান তরুণ প্রজন্মকে এমন এক জায়গায় দাড় করিয়েছে যে, ফেসবুকের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি আমরা বাস্তবতাকে অনুধাবন করতে শুরু করেছি। আগে বিকাল হলে আমরা দলবেধে খেলতে যেতাম। ঘুরাঘুরি আড্ডা সব কিছুই হতো। কোন বন্ধুর কাছে প্রয়োজন হলে তার বাসায় গিয়ে একবার ঘুরে আসতাম। আর এখন প্রয়োজন হলে ফেসবুকে চ্যাট এর মাধ্যমেই সব কিছু করা হয়। ফেসবুকে আছে নানা রকম মজাদার গেইম। দিনে প্রায় ১০-৫০ টি গেইম রিকোয়েস্ট বিভিন্ন জনের কাছ থেকে পেতে হচ্ছে। আমরা ফেসবুক গেইমের উপর এতোটাই আসক্ত যে, যেকোন কথা ফেসবুকিও নিরিখে চিন্তা করি। যেমন, বিকাল বেলা শুয়ে শুয়ে আপনি হয়তো গেইম খেলছেন। এমন সময় আম্মু এসে বললো যে, এখনো শুয়ে শুয়ে কী করছো? যাও বায়রে গিয়ে খেলো। আপনি বাধ্য ছেলের মতো মোবাইল বা ল্যাপটপটা বায়রে এনে গেইম খেলা শুরু করলেন! কিন্তু ভেবে বলেন তো আম্মু কি আসলে এটাই করতে বলছিলো? অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন, ফেসবুকে গেইম খেললে সমস্যা কী? পরিমিত মাত্রায় গেইম খেললে কোন সমস্যা নেই, কিন্তু অনলাইনে গেইম খেললে প্রতিযোগিটা একটু অন্য রকম থাকে। সব সময় নতুন স্কোর করার চিন্তা আমাদের আচ্ছন্ন করে রাখে। ফলে ক্লাসরুম, রিডিংরুম এমনকি মসজিদ মন্দিরে ইবাদত করতে গিয়েও পোলাপাইনদের গেইম খেলতে দেখা যায়।


ফেসবুক মনে করিয়ে দেয় আমাদের কি নেই!

ফেসবুকে অনেক সময় দেখা যায়, আপনি কি সিঙ্গেল? তাহলে আপনার নিউজ ফীডে দারুন সব রিলেশনশীপ তথ্য জানতে পারবেন অমুক পেইজ থেকে। আসলে ফেসবুক সবার জন্য এক উন্মুক্ত জায়গা। এখানে প্রত্যেকটি স্টেইজের মানুষের সমাগম রয়েছে। আপনি নিউজ ফীডে দেখলেন চমৎকার সব হ্যাপি কাপলদের ছবি অথবা তাদের বিষয়ে মজার সব তথ্য। অথবা দেখে ফেললেন প্রেম করার উপকারীতা বিষয়ে কিছু ট্পিস। আপনার মনের ভেতরে তখন সহজাত প্রবৃতির কারনে আপনা আপনি একটা হাহাকার কাজ করবে। আপনি হয়তো খেয়াল করে দেখেন অনেকেই ফেসবুকে হৃদয় বিদারক স্ট্যাটাস আপডেট করে। এগুলো শুধুমাত্র আমাদের আবেগের বেহুদা প্রকাশ। এগুলো দ্বারা সামাজিক ভাবে কোন উপকার না হলেও মানুষিক দিক থেকে ঠিকই আমরা আমাদের অভাবটুকু বুঝতে পারি।


ফেসবুকই অনেকের কাছে ইন্টারনেট

আজকাল ইন্টারনেট বলতে অনেকেই ফেসবুকের বায়রে চিন্তা করতে পারেনা। বন্ধু বান্ধব অনেকেই গল্প করে বলে, আমি সারাদিন ইন্টারনেটে থাকি। আসলে দেখবেন তারা সারাদিন ফেসবুক নিয়ে পড়ে থাকে। ফেসবুকে অতি মাত্রায় আসক্তির কারনে ইন্টারনেট এর সঠিক ব্যবহার থেকে আমরা বঞ্চিত হচ্ছি। ফেসবুকের অন্য একটি ব্যাপার হলো ফেসবুকে অ্যানোনিমাস ব্রাউজিং সাপোর্ট করেনা। ফলে আমরা যে কারো ব্যক্তিগত বিষয়গুলো নিয়ে নাড়াচাড়া করার সুযোগ পাচ্ছি। ফলে ইন্টারনেটে সামাজিক কর্মকান্ডের পাশাপাশি অসামাজিক কাজেও জড়িয়ে পড়ছি।


ফেসবুক আমাদের শান্তি কেড়ে নিচ্ছে

ফেসবুক বিষয়ে সবচেয়ে বড় কথা হলো ফেসবুক আপনার মোড কে পরিবর্তন করতে পারেনা। শুধু সেটার তীব্রতা বাড়িয়ে দিতে পারে। আপনি যদি কখনো মন খারাপ নিয়ে ফেসবুকে বসেন তাহলে দেখবেন বিভিন্ন জনের মন খারাপ করা স্ট্যাটাসগুলো আপনার মন আরও খারাপ করে দিচ্ছে। তাছাড়া আমাদের অনেকের মাঝে মানুষিকতার সাদৃশ্য থাকার কারনে কখনো কারও মন খারাপ স্ট্যাটাস আমাদের মনকে আরও খারাপ করে দিচ্ছে। ফেসবুকে বানানো কোন ঘটনা যদি আপনার জীবনের সাথে আংশিক মিলে যায় তাহলে সেই ঘটনার শেষটুকুর সাথে নিজেকে মিলাতে শুরু করেন। আজকাল মানুষের মাঝে হতাশা, নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস এবং কর্মের দৃঢ়তার যে ঘাটতি দেখা যায় তার মূল কিন্তু অনেকাংশ ফেসবুক। আপনি ফেসবুকে লগিন থাকা অবস্থায় কোন কাজ করলে দেখবেন সময় এবং শ্রম প্রায় ৩গুন বেশি লাগে। আর ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো লগআউট অপশনে ক্লিক করা।


আজকের এই টিউনটার মূল উদ্দেশ্য কিন্তু আপনাদের ফেসবুক ব্যবহার করা থেকে বিরত রাখা না। বরং ফেসবুক ব্যবহারে আরও একটু সতর্ক করা। জীবনের প্রয়োজনে আমরা প্রযুক্তি ব্যবহার করি। কিন্তু সেই প্রযুক্তির কারনে আমাদের জীবন যাত্রা বাধাগ্রস্থ হলে সেটা সত্যিই হতাশার। আশা করবো সামনের দিনগুলোতে আপনারা ফেসবুকের স্বল্প ব্যবহার করবেন। কারন, প্রত্যেক জিনিসই ততোক্ষণ পর্যন্ত ভালো থাকে যতোক্ষণ পর্যন্ত না সেটার অতিরিক্ত ব্যবহার না করা হয়। তবে শেষ করার আগে একটা মজার জিনিস বলি, আপনারা গুগলে Facebook Addiction লিখে ইমেজ সার্চ করে একবার দেখতে পারেন। এত্তো মজার সব ছবি আসে যে, সেগুলো দেখে হাসতে হাসতে আমি অস্থির হয়ে গিয়েছিলাম। আপনাদের জন্য সেখান থেকে কয়েকটি তুলে দিলাম। এতোগুলো তিক্ত কথার মাঝে কিছুটা আনন্দ দেওয়ার এক ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা মাত্র। কেমন লাগলো সেটা অবশ্যই জানাবেন।
  • যখন আমরা পড়তে বসি তখন ফেসবুক যে ভুমিকা পালন করে!

  • গোপন কিংবা প্রকাশ্য যেকোন কিছু যারা ফেসবুকে শেয়ার করে থাকতে পারে না। 

  • জীবনের সব আনন্দময় মূহুর্ত যাদের ফেইসবুক ঘিরে আবর্তিত হয়!

  • ঘটনার গুরুত্বের চাইতে যখন ফেইসবুকে শেয়ার করাটা বেশি প্রাধান্য পায়!


  • ফেইসবুক আসক্তরা যদি কোনদিন ফেইসবুক ছেড়ে বাস্তব জগতে চলে আসে...


  • আমরা প্রতিদিন কিছু ফেইসবুক পাগল দ্বারা যে ধরনের সমস্যার সম্মুখিন হই।

  • বাংলা ডায়লগগুলো ঘটনা অনুসারে সংযোজন করলাম। জানিনা কেমন হয়েছে, তবে টিউনের কন্টেন্টগুলো নিজের প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকবেন।

শেষ কথা

টিউনটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে অথবা বুঝতে যদি কোন রকম সমস্যা হয় তাহলে আমাকে টিউমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না। কারন আপনাদের যেকোন মতামত আমাকে সংশোধিত হতে এবং আরো ভালো মানের টিউন করতে উৎসাহিত করবে। সর্বশেষ যে কথাটি বলবো সেটা হলো, আসুন আমরা কপি পেস্ট করা বর্জন করি এবং অপরকেও কপি পেস্ট টিউন করতে নিরুৎসাহিত করি। সবার সর্বাঙ্গিন মঙ্গল কামনা করে আজ এখানেই শেষ করছি। দেখা হবে আগামী টিউনে।

গুগল এবার আনতে চলেছে নতুন অপারেটিং সিস্টেম ‘এন্ড্রয়েড গো’। এই ‘এন্ড্রয়েড গো’ সম্পূর্ণ নতুন একটি সংস্করণ হিসেবে বাজারে আসবে।



প্রতি বছরই গুগল তাদের বার্ষিক সম্মেলনে নতুন নতুন সব জিনিস নিয়ে আলোচনা করে। এছাড়া নতুন কি আসছে সেগুলোর ঘোষণা দেওয়া হয়। তারই ধারাবাহিকতায় এবার গুগল একটি নতুন অপারেটিং সিস্টেম আনার ঘোষণা দিয়েছে। এটি মূলত এন্ড্রয়েড এর মতোই, তবে একটু ভিন্নভাবে তৈরি করা হয়েছে। মূলত এটি সম্পূর্ণ নতুন একটি সংস্করণ। এই নতুন সংস্করণটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘এন্ড্রয়েড গো’।
জানেন কি?
 


জানানো হয়েছে, এটি মূলত বানানো হয়েছে কম দামি স্মার্টফোনের জন্য। কম দামি স্মার্টফোন সাধারণত কম স্পেসিফিকেশনের হয়ে থাকে। এটি এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে যাতে র্যাম কম হলেও কোনো সমস্যা হবে না।
১ জিবি এর কম র্যাম এমন ফোনেও এটি ভালোভাবে চলতে পারবে। আবার অন্যদিকে এই অপারেটিং সিস্টেমে অ্যাপ সাইজও হবে কম। যে কারণে স্টোরেজও কম লাগবে। সে কারণে ‘এন্ড্রয়েড গো’ এর জন্য পৃথকভাবে ইউটিউব অ্যাপ ‘ইউটিউব গো’ বানানো হবে। এটি হবে ইউটিউবের লাইট ভার্সন। প্রাই সব অ্যাপই ১০ এমবি এর মধ্যে আনা হবে বলে জানানো হয়েছে।

অনেকেই হয়তো আগে Localhost কে ওয়েভ সার্ভার বানিয়েছেন এবং সফল ভাবে ইন্টারনাল নেটওয়ার্ক এর মধ্যে অ্যাক্সেসও করেছেন। কিন্তু দুক্ষজনক ভাবে বাহির থেকে তা করতে পারেন নি। যারা পেরেছেন তারা এই প্রাইমারি মার্কা টিউন না পড়লেও হবে। কিছু মানুষের আবার চুল্কানি বেশি তারা আবার চুল্কাইতে আস্তে পারে, তাদের আমি ভয় পাই 😛 ..আমার ভয় এই জায়গায় যে আমি কম জানি ও কম বুঝি সাথে সাথে বেশি বুঝার চেষ্টা করি... 😀

শুরুতে কিছু সুবিধা ও অসুবিধা দেখা যাক

সুবিধাঃ

১. হোস্টিং সার্ভিস ব্যবহার এর জন্য টাকার দরকার নেই
২. যেহেতু সব কিছু নিজের পিসিতে তাই দ্রুত পরিবর্তন করা যায় । নতুন কিছু যোগ ও করা যায়
৩. অপলোড এর ঝামেলা নেই

অসুবিধাঃ

১. সবচেয়ে বড় অসুবিধা হল ব্যান্ডউইথ। কোন Unlimited Plan অথবা Lan না থাকলে লাভের চাইতে ক্ষতিই বেশি হবে।
২. সার্ভার চালু রাখতে হলে আপনার পিসি সব সময় চালু রাখতে হবে
৩. আরেকটা অসুবিধা হল Speed । আমাদের দেশে ইন্টারনেট এর স্পীড অনেক কম একারনে সার্ভারের স্পীড ও কম হবে। নিজের সাইট কে Popular বানাতে চাইলে এটা Worse Option । অনেক ভিজিটর থাকলে সার্ভার বিপুল সময় নিবে
উপরের কথা গুলো শুনে অনেকেই ডিমোটিভেটেড হয়ে গেছেন। আরে ভাই একটা জিনিস করতে পারার আনন্দটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া। আমি লিমিটেড প্লান এর মডেম চালাই তাও বেশ কিছুদিন সার্ভারের টেস্ট রান করিয়েছি। নিজের টাকার বিপুল পরিমান বাশ দিয়েছি 😛
আর কথা না বাড়িয়ে শুরু থেকে শুরু করা যাক

যা যা লাগবে :\

Xampp সফটওয়্যার। আমরা অলস জাতি তাই এটাই আমাদের কাজের জন্য যথেষ্ট। আমাদের যা যা দরকার সবই আছে এর মধ্যে- Apache, PHP, MySQL । এবং এটা সব configuration এর কাজ করে দিবে।
এই সফটওয়্যার এর latest installer version ডাউনলোড করব।
আপাতত এটাই latest - xampp-win32-1.8.3-4-VC11-installer.exe (125 mb) (direct link)
ভাই আপনার চাইতে আমি আরো বড় অলস । লেখা লিখি করতে মন চায় না তাই লেখা কম ছবি বেশি। কেউ মাইন্ড খাইয়েন না। ধাপে ধাপে ছবি ও কথা অনুসরন করুন।
১. Xampp সফটওয়্যার installer টি run as administrator দিয়ে চালু করুন

২. এন্টিভাইরাস থাকলে warning দিতে পারে। এটা কোন সমস্যা না। antivirus disable করে অথবা না করেই yes চাপুন সেটা আপনার ইচ্ছা। 😀

৩. আরো একটা ওয়ার্নিং !! যা বলতেসে তা করতে পারেন অথবা বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে এগিয়ে যান

৪. আরে ভাই এটাও বলা লাগবে? Finish না আসা পর্যন্ত চাপতে থাকুন। 3 কি চাপবেন?! “Next” 😛

৫. Finish বাটন আসলে “Do you want to start the control panel now” untick দিয়ে finish চাপুন

৬. এবার Start>programs>xampp>xampp control panel অথবা c:\xampp\xampp-control.exe run as administrator দিয়ে চালু করুন।


৭. এবার apache এর পাশের red cross এ ক্লিক করলে service install এর জন্য বলবে। সেখানে yes চাপুন। একই ভাবে mysql এরটাও করুন। আপাতত আমাদের এই দুইটা হলেই চলবে।



৮. এরপর apache & mysql start বাটন চেপে চালু করুন। (**এ পর্যায়ে অনেকেই সমস্যার সম্মুক্ষিন হতে পারেন )


৯. এখন একটা ব্রাউজার খুলে address bar এ লিখুন “ Localhost “ ।

১০. বাম পাশে status এ ক্লিক করে দেখুন প্রথম ৩/৪ টা সার্ভিস Activated কিনা

১১. এরপর security তে ক্লিক করুন। দেখবেন আমার যেখানে secure লেখা সেখানে আপনার unsecure লেখা। কারন এই screen shot টা ভুলে তখন নেই নাই :v যাই হোক secure করার জন্য নিচে একটা লিঙ্ক দেয়া আছে ওইটায় ক্লিক করুন

১২. এখানে mysql এর root user এর জন্য password দিয়ে password changing এ ক্লিক করুন। পরে xampp directory protection এর জন্য user & pass দিয়ে make safe এ ক্লিক করুন।

১৩. এবার আবার localhost এ গিয়ে PhpMyadmin এ ক্লিক করলে লগিন এর পেজ আসবে সেখানে Mysql এর ইউজার root এবং আপনার সেট করা password দিয়ে লগিন করুন।

এবার আমরা সার্ভারে ওয়েভ সাইট ইন্সটল করব...

এক্ষেত্রে আমরা WordPress ইউজ করছি। না থাকলে ডাউনলোড করে নিন এখান থেকে।
১. প্রথমে c:\xampp\htdocs ফোল্ডারটিকে রিনেম করে দিব “htdocs_default” নামে এবং নতুন একটি folder বানবো “htdocs” নামে

২. এবার ডাউনলোড করা wordpress.zip এর সব htdocs ফোল্ডার এ কপি করতে হবে


৩. এখন phpmyadmin এ গিয়ে create database এ wordpress নামে একটা database বানাবো

৪. এবার ব্রাউজার এ localhost/wp-admin/install.php লিখে এন্টার চাপলে ছবির মত আসবে। সেখানে সব কিছু পুরন করে “install wordpress” চাপলে “success” পেজ আসবে

৫. ওখানে লগিন চেপে username & password দিলে wordpress এর admin panel আসবে।

৬. এখন অন্য একটা ট্যাব এ localhost ওপেন করলে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সাইট দেখতে পাবেন

উফফ... শেষ হল localhost এ সার্ভার ইন্সটল। এসব আমি না বললেও পারতাম কারন আগে এ নিয়ে অনেক টিউন হয়েছে। যারা করেছিলেন তারা এখানে এসে গলা বাজি করতেও পারেন।তাদের বলছি... শুধু নতুনদের জন্য ছিল এ পার্টটুকু।
সার্ভারতো বানালাম লোকাল ip দিয়ে অ্যাক্সেস ও করা যাবে কিন্তু যারা আমার নেটওয়ার্ক এ নেই মানে সারা দুনিয়ার মানুষ, তারা কি আমার ওয়েব সাইট দেখতে পারবে না?
উত্তরঃ পারবে। তবে একটু কষ্ট করতে হবে। সবাই অ্যাক্সেস করার জন্য আমাদের external ip দরকার যা internal ip থেকে সম্পুর্ন ভিন্ন। আমাদের সবার ই একটা করে আলাদা আলাদা external ip আছে । http://whatsmyip.org/ এখানে গেলে ip টা দেখা যাবে । লজিক বলে , ওই ip সরাসরি ব্রাউজার এ টাইপ করে আমাদের ওয়েব সাইট অ্যাক্সেস করা যাবে, কিন্তু না... আমাদের পিসির ফায়ার ওয়াল এবং সবচেয়ে বড় কথা আমাদের ISP ,সার্ভারের জন্য দরকারি পোর্ট 80 সহ অন্নান্য পোর্ট বন্ধ করে রাখে। পোর্ট খোলার জন্য firewall execption set করতে হয় এবং যদি router ইউজ করি তবে তাতে port forward করতে হয়। port forward এর নিয়ম সার্চ করলে পাওয়া যাবে। আমার router নাই তাই ওভাবে দিতে পারলাম না। আবার অনেক সময় external ip গুলো dynamic হয়ে থাকে মানে প্রতি বার change হয়, যেমনটা আমার modem এ হয়।
(অনেকের পোর্ট 80 & 8080 firewall disable করলেই ওপেন হতে পারে তারা
এখান থেকে টেষ্ট করে নিবেন http://www.whatsmyip.org/port-scanner/ । খোলা থাকলে নিচের ২ নং সমাধান ফলো করার দরকার নাই।)

সমাধান ১ :

যেহেতু আমদের প্রথমিক লক্ষ্য বাহির থেকে সাইট অ্যাক্সেস করা তাই সহজে তা কিভাবে করা যাবে সেটা আগে দেখি
১. প্রথমে ngrok নামে এই সফটওয়্যার টি নামিয়ে নিন এখান থেকে
২. Ngrok.zip এর মধ্যে ngrok.exe ফাইল পাবেন । ওটাকে c:\windows\system32 তে কপি করে দিন।
৩. এবার নোটপ্যাড ওপেন করে “ ngrok 80 “ লিখে anything.bat নামে যেকোন জায়গায় সেভ করুন।

৪. এবার বানানো ফাইলটিতে right click করে run as administrator দিয়ে চালু করুন। সব ঠিক থাকলে নিচের মত আসবে

৫. এখন ব্রাউজার এ localhost:4040 লিখে এন্টার দিলে আমার মত আপনার সাইটের জন্য লিঙ্ক পাবেন। ওই লিঙ্ক এ ক্লিক করে দেখুন আগে বানানো ওয়ার্ডপ্রেস সাইট টা আসে কিনা। যদি আসে তাহলে আর কি? দিয়ে দিন ওটা আপনার বন্ধুকে টেষ্ট করার জন্য, আশা করি সে আপনার সাইট অ্যাক্সেস করতে পারবে

কিছু কথাঃ

ngrok software টি VPN এর মাধ্যমে কাজ করে। এটা ফ্রি কিন্তু প্রতিবার connect করলে এটা different লিঙ্ক assign করবে। যা ওয়েব পাব্লিশ এর জন্য সুবিধা জনক না। নিজের ইচ্ছামত hostname দেয়া যায় কিন্তু এটা ওদের প্রিমিয়াম feature।
সমাধান ২ : (port forwarding- software method)
(এই সমাধানটি lan connection এর ক্ষেত্রে ট্রাই করা হয় নাই। )
১. পিসির firewall disable করুন
২. Simple port forwarding সফটওয়্যার টি নামিয়তে নিন এখান থেকে
৩. সফটওয়্যার টি ইন্সটল করে ওপেন করুন

৪. Router drop down এ আপনার router এর নাম থাকলে ভাল ওটা সিলেক্ট করুন ,না থাকলেও কোন সমস্যা নাই 😛
৫. নিচের খালি জায়গায় right ক্লিক করে add new তে যান। সেখানে ছবির মত 80 & 8080 পোর্ট দুটি add করুন


৬. এবার update router চাপুন। দেখবেন অনেক কিছুই আসবে, ওয়রনিং অথবা error ও আসতে পারে তাতে কোন সমস্যা নাই। সব শেষে done আসলে কাজ শেষ। এবার সফটওয়্যার টি ক্লোজ করে দিন


৭. এখন http://www.whatsmyip.org/port-scanner/ এখানে গিয়ে 80 & 8080 পোর্ট দুটি টেষ্ট করে দেখুন ওপেন দেখায় কিনা? ছবির মত দেখালে সব ঠিক আছে.. 😀

৮. এখন আপনার external ip ব্রাউজার এ লিখে এন্টার চেপে দেখুন যে আগে বানানো ওয়ার্ডপ্রেস সাইট টি আসবে। বন্ধুকে ip টা দিয়ে ট্রাই করতে বলেন। আশা করি কাজ হবে
*** কিছু কথাঃ
সফটওয়্যার টির কার্যক্ষমতা আমার জানা নাই কিন্তু আমার মডেম এ কাজ হয়েছে। আমি আমার সার্ভিস প্রভাইডার কে port forward নিয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন যে আমার মডেম এ port forward সম্ভব না এটা করতে হলে router মডেম লাগবে। তারা কি জানে না যে এভাবেও কাজ হয়?!
সার্ভারে ডোমেইন নেম এ্যাড করাঃ (dynamic ip এর সমাধান)
আগেই দেখেছি ngrok ডোমেইন নেম provide করে কিন্তু তা dynamic । আমাদের static একটা নেম দরকার। যেহেতু আমরা আমাদের সার্ভার বানাতে কোন টাকা খরচ করছি না তাই এবার ফ্রি ডোমেইন ragistration ইউজ করব।
১. https://www.noip.com/sign-up এখানে গিয়ে সাইন আপ করতে হবে। সাইন আপ এর সময় domain নেম দিবেন যেটা আপনি চান। ফ্রী গুলার শেষে .ddns.net এ ধরনের কিছু থাকবে। আসলে আমাদের টা হবে sundomain

২. এবার ওদের dynamic DNS update client (DUC) ডাউনলোড করুন এখান থেকে
৩. সফটওয়্যার টি ইন্সটল করে ওপেন করুন। লগিন এর জায়গা আসলে username & pass দিয়ে লগিন করুন

৪. এবার edit host এ ক্লিক করুন। নতুন একটা বক্স আসবে সেখানে আপনার domain টি দেখতে পাবেন। পাশের বক্স এ টিক দিয়ে save চাপুন

৫. সব ঠিক থাকলে ছবির মত দেখাবে

দাড়ান আর একটু বাকি আছে...
Noip পোর্ট 80 redirect করে না ওরা 8080 করতে পারে তাই আমাদের সার্ভার কে পোর্ট 8080 তেও কাজ করানর জন্য config করতে হবে
৬. Xampp control panel ওপেন করে apache এর বরাবর যে config বাটন আছে তাতে ক্লিক করে Apache (httpd.conf) চাপলে নোটপ্যাড এ config file টা ওপেন হবে । সেখানে “ Listen 80 “ লাইন টা খুজে বের করে তার নিচে “ Listen 8080 “ add করে সেভ করে দিতে হবে। তারপর apache restart করতে হবে।

এখন আপনার anything.ddns.net এ ঢুকে দেখেন যে আপনার বানানো ওয়ার্ডপ্রেস সাইট টি আসবে!
***কিছু কথাঃ
Noip এর DUC সফটওয়্যার টি dynamic external ip কে ডোমেইন এর সাথে যুক্ত করে। সফটওয়্যার টি চালু না থাকলে ডোমেইন নেম কাজ করবে না কারন ip change হবে কিন্তু ডোমেইন তা জানতে পারবে না । যদি আমরা নিজের .com টাইপ ডোমেইন চাই তাহলেও নিতে পারি তবে এটার জন্য টাকা লাগবে।। 😀
ব্যাস আর কি? এবার চালান ওয়েব সাইট আপনার পিসি থেকে...!!!

 বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আসসালামু আলাইকুম, আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই খুব ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে খুব ভালোই আছি। আসুন আজ নতুন একটা টপিক নিয়ে আলোচনা করা যাক।
ললিপপ চালিত ফোনে মুলত একটা সমস্যা হলো ফোনটিতে আপনি যে গুগল একাউন্ট ব্যবহার করবেন সেই একই গুগল একাউন্ট ভেরিফাই করতে হবে ফোনটি রিসেট করার পর। বেশির ভাগ মানুষেরই এই কারনে সমস্যার মুখোমুখি পড়তে হয়। সমস্যার সমাধান করার জন্য কয়েকটি স্টেপ অনুধাবন করতে হবে। আর অবশ্যই ওয়াই-ফাই কানেকশন থাকতে হবে অথবা অন্য মোবাইল দিয়ে হটস্পট করেও চালাতে পারেন। এছাড়া স্যামস্যাং একাউন্ট থাকতে হবে, তবে কাজের মধ্যেও করে নিতে পারবেন। চলুন তাহলে শুরু করা যাক....

  • প্রথমে এখান থেকে সফটওয়ারটি ডাউনলোড করে নিন। এটি কম্পিউটারের জন্য ব্যবহার করতে হবে। ডাউনলোড করার পর সফটওয়্যারটি ইনস্টল করতে হবে। ইনস্টল করার পর ওপেন করুন।
  • তারপর পাওয়ার বাটন চেপে ফোনটি চালু করুন।
  • ওয়াই-ফাই কানেক্ট করুন।
  • গুগল একাউন্ট প্রদান করার অপশন আসলে থেমে যান।
  • এখন ইউএসবি কেবল দ্বারা কম্পিউটারের সাথে আপনার ফোন কানেক্ট করুন। ড্রাইভার ইনস্টল হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এখন খেয়াল করুন আপনার ফোনে ইন্টারনেট এক্সেস এর জন্য অনুমতি চাইছে। ডিফল্ট ব্রাউজার, গুগল ক্রোম ও প্লে-স্টোর ওপেন  হবার অনুমতি চাইছে।

এখন এই সফটওয়্যারটা ডাউনলোড করে নিন (এটা ফোনের জন্য)। ডাউনলোড হয়ে গেলে ইউএসবি ক্যাবল দ্বারা ফোনে ট্রান্সফার করুন (ধরে নেই ডাউনলোড ফোল্ডারে ট্রানস্ফার করলেন)।
  • এরপর আপনি গুগল ক্রোমে প্রবেশ করুন।
  • কিছু এক্সেস চাইবে ওকে/নেক্সট করে যান।
= স্যামস্যাং অ্যাপস স্টোরে অটোমেটিক ঢুকে যাবে। এখানে ES File Manager লিখে সার্চ দিন। ইনস্টল বাটনে ক্লিক করুন। এরপর আপনাকে স্যামস্যাং একাউন্ট এর আইডি ও পাসওয়ার্ড প্রদান করতে হবে   (না থাকলে রেজিষ্টার করে নিন)।
লগইন করার পর অ্যাপসটি ডাউনলোড হবে। এবার ওপেন করুন। ডাউনলোড ফোল্ডারে (এর আগে যে ফোল্ডারে ডাউনলোডকৃত সফটওয়্যারটি রেখেছিলেন) ঢুকুন। অ্যাপসটি ইনস্টল করুন আপনার ফোনে। ওপেন করুন।
  • পারমিশন চাইবে পারমিশন দিন। এরপর সরাসরি আপনার ফোনের সেটিংস মেনু তে ঢুকে যাবে। ব্যাকাপ ও রিসেট অপশনে যান আর ফোন রিসেট দিয়ে দিন।
  • এখন আপনার ফোন রিবুট হবে। আর আগের মত আবার বিস্তারিত তথ্য দিয়ে ফোন চালু করুন।
  • যদি কোন সমস্যা হয় তো যোগাযোগ করতে পারেন

ফেইসবুক আইডি        ই-মেইল করুন

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ।  আশা করি আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো আছেন সবাই।  ভালো থাকাটাই সবসময়ের জন্য প্রত্যাশা।তথ্য প্রযুক্তির বদৌলতে বর্তমানে আমরা এখন অনেকখানি এগিয়ে আছি। এ এগিয়ে থাকাই শেষ নয়, এখনো বাকী আছে বহু দূর পথ পাড়ী দেয়ার।   কিন্তু বহুদূর পথ পাড়ী দেয়ার পূর্বেই যদি থমকে দাড়াতে হয় তবে বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।  আপনি সাত সমুদ্র তের নদী পার হওয়া অনেক দূরের কথা।  হঠাৎ খেয়াল করে দেখলেন আপনিতো এখনো তীরেই দাড়িয়ে আছেন।  তবে যদি হঠাৎ দৌড় শুরু করেন তবে কতটুকু সফল হবেন।  এখানেই শেষ নয়, সমস্যা্ আরো আছে।  হঠাৎ দৌড় শুরু করে কিছুদুর হয়তো আগালোন কিন্তু তাতে  হাত পা ভাঙ্গার শঙ্কাও থেকে যাবে।  যাইহোক আমি আমার প্রসঙ্গের কাছাকাছি চলে  এসেছি ।ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে যখন আমরা এগিয়ে যেতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ, ঠিক তখন আমাদেরকে থমকে দেয় কিছু বাধা বিঘ্ন, কিছু প্রতিবন্ধকতা এবং কিছু সমস্যা।  সমস্যাগুলোকে ওভারকাম করাও অনেক কষ্টসাধ্য, আবার এটিকে বাদ দিয়ে চলারও সুযোগ নেই। এমন পরিস্থিতিতে আপনি কি করবেন।  হ্যাঁ, আমি মোবাইলের ডাটা কানেকশনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহারের কথাই বলছি।  যে দেশে আমরা ইন্টারনেট সহজলভ্য করার জন্য গলা ফাটিয়ে ফেলছি, আন্দোলনে বিলিয়ে দিচ্ছি নিজেদের, সে দেশেই আমাদের ইন্টারনেট ব্যবহার করতে গিয়ে গুণতে হচ্ছে প্রচুর টাকা।  যা আমাদের স্থবির করে দিচ্ছে, রুদ্ধ করে দিচ্ছে সামনে  এগিয়ে যাওয়ার পথ।
আমাদের দেশে যারা যারা ব্রডব্যান্ড সংযোগের সুবিধা পাচ্ছেন, তারা আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছেন প্রতিনিয়ত।   কিন্তু যাদের ব্রডব্যান্ড সংযোগ নেই, তারা বিপাকে পড়েন প্রতিনিয়ত।  সবকিছুতেই যেন সীমাবদ্ধতা।   ডাউনলোড দেয়া যাবেনা, আপলোড করা যাবে না।  মোবাইল কোম্পানীগুলো যেন গলা টিপে ধরে রাখে। আপনি যে ডাটা কানেকশনই ব্যবহার করেন না কেন তা অত্যন্ত ব্যবয়বহুল।  সাম্প্রতিক আমি ১০০ মেগাবাইট ইন্টারনেট কিনেছিলাম গ্রামীনফোন এর কাছ থেকে, অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন হওয়ার কারণে সেটি শেষ হয়ে গিয়েছিলো মাত্র ৫ মিনিটেই।   অতপর আবার ২৫০ মেগাবাইট কিনেও নিস্তার পাইনি, সেটি শেষ হয়ে গেছে ১০ মিনিটে।   সেক্ষেত্রে আপলোড ডাউনলোডকেতো রীতিমত কবর দিতে হবে।   চিন্তাই করা যাবে না এসবের।   যেখানে আপলোড ডাউনলোড ছাড়াই ডাটা শেষ হয়ে যাচ্ছে কয়েক মিনিটের ব্যবধানে সেখানে কি করে আমরা আগাবো, কিভাবে গড়বো ডিজিটাল বাংলাদেশ।  এবার কিনলাম ১ জিবি, কিন্তু তাতে সমস্যা, মেয়াদ ১৪ দিন আর স্পীড কম।  কেমন লাগে বলুনতো।   আবার  বাংলালিংকের মাধ্যমে ১ জিবি কানেকশন কিনলাম,  কিন্তু আরো বাজে অবস্থা। ২ জী দেখাচ্ছে, কোন পেজে ঢুকছেনা।  ১০ মেগাবাইটও ব্যবহার করতে পারলাম না।  চটকা মেরে বাদ দিয়ে দিলাম ডাটা কানেকশন নেয়ার বিষয়টি।  এমন পরিস্থিতিতে  খুব ভালো লাগার কথা, তাই না???   হ্যাঁ, এভাবেই মোবাইল কোম্পানীগুলো ডাটা কানেকশনের মাধ্যমে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা।  এ যেন বিলাসবহুল লাক্সারী ডাটা কানেকশন।  অথচ ব্রডব্যান্ড সংযোগে মাসিক মাত্র ৫০০ টাকায় আপনি এক লাখ টাকার সম পরিমাণ ডাটাও ডাউনলোড করতে পারবেন নিশ্চিন্তে।  এবার ভেবে দেখুন আপনি কোনটি করবেন।   কোন একসময় ব্রডব্যান্ড কানেকশনের সুবাদে আমি ১৩০ জিবি ডাউনলোড করেছিলাম মাত্র ৩ দিনের ব্যবধানে।   আবার আরেক সময় ৫ দিনে ডাউনলোড করেছিলাম ৭১ জিবি।  এভাবে আরো কিছু ডাউনলোড করেছি যার পরিমাণ প্রায়  ৫০০ গিগাবাইট এর অধিক।  অথচ এ ডাটা যদি আমি মোবাইলের ডাটা কানেকশনের মাধ্যমে ডাউনলোড করতাম তবে নিসন্দেহে আমাকে বাড়ীর জমিও বিক্রি করা লাগতো।
এক নজরে গ্রামীন ফোনের কয়েকটি অফার দেখুন...

আর কত!!! সময় এসেছে প্রতিবাদ জানানোর।   মোবাইল কোম্পানীর এরকম ডিজিটাল প্রতারণা থেকে মুক্তি চাই। আর সরকারের কাছে ব্রডব্যান্ড সংযোগ আরো সহজলভ্য করার জন্য আকুল আবেদন জানাই।
উপরের শিরোনাম দেখে হয়তো চমকে উঠেছেন ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই ইন্টারনেট কিভাবে সম্ভব।  হ্যাঁ, সত্যি কেমন হতো যদি ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই ইন্টারনেট পাওয়া যেত।   সুলভ মূল্যে ব্যবহার করা যেত স্বপ্নের ইন্টারনেট, তবে কেমন হতো। এ দুঃস্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ ধরেই আমাদের এ পথ চলা  শুরু হোক।    দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করি, মোবােইলের ডাটা কানেকশন আর ব্যবহার করবো না,
প্রয়োজনে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই ইন্টারনেট ব্যবহার করবো।   চেষ্টা করুন যত কষ্টই হোক, গ্রামে পাড়ায় মহল্লায় ব্রডব্যান্ড সংযোগ পাওয়ার জন্য দৃঢ় কন্ঠে আওয়াজ তুলুৃন।   বিটিসিএলসহ বিভিন্ন ব্রডব্যান্ড কোম্পানীকে ইন্টারনেট সুবিধা আরো সহজলভ্য করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানাচ্ছি।  মোবাইল ডাটা কানেকশন পরিহার করে বিটিসিএল, স্যাটেলাইট ও অন্যান্য ব্রডব্যান্ড এর প্রতি সমর্থন দিয়ে জনসমর্থন তৈরী করুন।  তাতে দেশ ও জাতির অনেক কল্যাণ হবে।
মোবাইল এর ডাটা কানেকশনকে না বলুন !!!  থ্রীজী এর বদৌলতে ডিজিটাল প্রতারণার নতুন সকল ফাঁদকে না বলুন এবং এড়িয়ে চলুন চিরতরে ।

সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা দানকারী সেরা ১০টি দেশঃ

১.দক্ষিন কোরিয়া (স্পিড 17,187 kb/s )

২.জাপান (স্পিড 16,365 kb/s )

৩.লিথুয়ানিয়া (স্পিড 11,295 kb/s )

৪.সুইডেন (স্পিড 11,280 kb/s )

৫.রোমানিয়া (স্পিড 10,236 kb/s )

৬.লাটভিয়ান (স্পিড 9,782 kb/s )

৭.বুলগেরিয়া (স্পিড 9,074 kb/s )

৮.নেদারল্যান্ড (স্পিড 8,734 kb/s )

৯.জার্মানি (স্পিড 7,447 kb/s )

১০.রাশিয়ান ফেডারেশন (স্পিড 7,260 kb/s )

সর্বোচ্চ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ১০টি দেশঃ

1.United States

2.China

3.Japan

4.Germany

5.India

6.Brazil

7.United Kingdom

8.South Korea

9.France

10.Italy

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যদি জানতে চান তবে দেবার মত তথ্য এটুকুই আছে যে বাংলাদেশের মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারি সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত প্রায় ৬ মিলিয়ন। যার অধিকাংশ মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারী।

Powered by Blogger.