আসসালামু আলাইকুম, ক্যামন আছেন সবাই, আশা করি ভাল আছেন। আল্লাহ কাছে দোয়া করি যেন ভাল থাকেন। আমিও আছি আপনাদের দোয়াই, আল্লাহ ভাল রেখেছেন।
আমাদের অনেক সময় এক সাথে অনেক ফোল্ডার ওপেন করে রাখা লাগে, আবার দেখা যাই এক ফোল্ডার থেকে আরেক ফোল্ডারে কিছু ফাইল কপি করে পেস্ট করতে হলেও ২ টা ফোল্ডার আলাদা  আলাদা করে ওপেন করে রাখা লাগে। এই ঝামেলার দিন এখন থেকে শেষ।



এখন থেকে ইচ্ছামতো যে কোন ফোল্ডার ওপেন করবেন ইন্টারনেট ব্রাউজার এর মতো নতুন ট্যাব ওপেন করে। অতএব এক উইন্ডো তে আকাধিক ফোল্ডার ওপেন করতে পারবেন, এক ফোল্ডার থেকে আরেক ফোল্ডারে ফাইল কপি করবেন যেরকম সেরকম, চাইলে আপনি ইন্টারনেট ব্রাউজার এর মতো যে কোন ফোল্ডার বা ফাইল কে বুকমার্ক বারে সেভ করে রাখতে পারবেন। 




ফটো দুটি ভাল করে দেখলেই হয়ত বুঝতে পারছেন যে আপনার কাজ আরও কত সহজ হয়ে গেলো।
তাহলে আর দেরি না করে এখান থেকে এই সফটওয়্যারটি নামিয়ে নিনঃ  Clover
আশা করি আপনাদের এই সফটওয়্যারটি অনেক কাজে লাগবে, আর যদি কাজে লাগে তাহলে আমার আজকের এই টিউনটি করা সার্থক হবে।

কম্পিউটারে বা ডেস্কটপে শর্টকাটগুলো (desktop shortcut) তৈরি করা হয় যেন প্রয়োজনের মুহূর্তে তাতে ক্লিক করে সহজেই কাঙ্ক্ষিত কাজটি করা যায়। আজ কিছু অপ্রচলিত ডেস্কটপ শর্টকাট দেখাচ্ছি যা কার্যকর এবং আপনার বেশ খানিকটা সময় ও শ্রম বাঁচিয়ে দিবে।

প্রথমে আমরা দেখবো কিভাবে ডেস্কটপে শর্টকাট তৈরি করতে হয়:

ডেস্কটপে মাউসের Right Click করে New এর পর Shortcut এ ক্লিক করুন।5 Really Useful Shortcuts You Can Make In Windows (1)
নিচে উল্লেখ করা যে কোন একটি কোড পেস্ট করে নেক্সট চাপুন5 Really Useful Shortcuts You Can Make In Windows (2)
শর্টকাটটির যে নাম দিতে চান টা লিখে Finish বাটনে ক্লিক করলেই আপনার শর্টকাট তৈরি হয়ে যাবে।5 Really Useful Shortcuts You Can Make In Windows (3)
5 Really Useful Shortcuts You Can Make In Windows (4)

এবার দেখে নিন শর্টকাটের কোড এবং তাদের কাজগুলো:

১. কম্পিউটার লক (computer lock):

কোন কাজে বাইরে যেতে হচ্ছে কিন্তু কম্পিউটার বন্ধ করা যাবে না। আবার চালু অবস্থায় রেখে গেলে অন্য কেউ এসে আপনার ব্যক্তিগত ফাইল ঘাটাঘাটি করতে পারে। এ অবস্থায় কম্পিউটার লক করে যাওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত কাজ। আর এই লক করার শর্টকাটটি যদি আপনার ডেস্কটপেই থাকে তবে কাজটি আর সহজ হয়ে যাবে।
  • কম্পিউটার লকের কোডঃ rundll32.exe user32.dll, LockWorkStation

২. উইন্ডোজ ফায়ার ওয়াল সক্রিয় এবং বন্ধ করা (enable/disable windows firewall):

এমন কিছু সফটওয়্যার আছে যা উইন্ডোজ ফায়ার ওয়াল ডিসএইবল না করলে ইন্সটল করা যায় না। আবার অন্য অনেক প্রয়োজনেও ফায়ার ওয়াল বন্ধ ও সক্রিয় করতে হতে পারে। এই শর্টকাটটি ডেস্কটপে থাকলে সহজ হয়ে যাবে আপনার কাজটি।
  • ফায়ার ওয়াল কোড: netsh firewall set opmode disable

৩. হার্ডওয়ার নিরাপদে রিমুভ করুন (safely remove hardware):

পেন-ড্রাইভ বা এক্সটারনাল হার্ড ডিস্কের কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর তা কম্পিউটার থেকে নিরাপদে খোলার জন্য বেশ কিছু জায়গায় ক্লিক করতে হয়। এই কাজটি আরও সহজে করার জন্য ডেস্কটপে তৈরি করে নিন একটি শর্টকাট।
  • হার্ডওয়ার রিমুভের কোড: RunDll32.exe shell32.dll,Control_RunDLL hotplug.dll

৪. খালি করুন ক্লিপ বোর্ড (clearing clipboard):

আমরা যখন কোন কিছু কপি করি তখন তা ক্লিপ বোর্ড নামে একটি স্থানে সাময়িক ভাবে সংরক্ষিত হয়ে থাকে। আর এই সংরক্ষণের ফলে মেমোরির কিছুটা স্থান তার জন্য ছেড়ে দিতে হয় কম্পিউটারকে। যত বড় ফাইল আপনি কপি করবেন তত বেশি জায়গা ছেড়ে দিতে হবে তার জন্য। ফলে কম্পিউটার ধীর গতির হয়ে পড়তে পারে। এই ক্লিপ বোর্ড পরিষ্কার রাখার জন্য নিচের কোডটি দিয়ে শর্টকাট তৈরি করে নিন।
  • ক্লিপ বোর্ড ক্লিনিং কোড: cmd /c “echo off | clip”
৫. এছাড়া উইন্ডোজের অনেক অপশন আছে যা খুঁজে বের করা জন্য আপনাকে অনেক অনেক স্টেপের ভেতর দিতে যেতে হবে। তার চেয়ে ডেস্কটপে একটি ফোল্ডার খুলুন। আর রিনেম (rename) করুন এই কোডটি দিয়ে।
  • God Mode.{ED7BA470-8E54-465E-825C-99712043E01C}
ফোল্ডারের ভেতরেই পেয়ে যাবেন অসংখ্য প্রয়োজনীয় টুলসের শর্টকাট।

আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভালো আছেন। নতুন টিউনার হিসেবে ভুল ত্রটি মার্জনীয়। যদিও আমি জানি এর আগের টিউনগুলো খুব একটা ভালো হয়নি। তবে চেষ্টা করছি ভালো করার জন্য। যদিকোন ত্রুটি থাকে ধরিয়ে দিতে পারেন। পরবর্তীতে সংশোধনের জন্য চেষ্টা করব।

আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম দারুন একটি উইন্ডোজ ফাইল এক্সপ্লোরার। একঘেয়েমী ফাইল এক্সপ্লোরার দেখতে দেখতে হাপিয়ে গেছেন। তাই নতুন করে ফাইল এক্সপ্লোরার স্বাদ নিতে হলে এটি আপনার কম্পিউটার/ ল্যাপটপে ইনস্টল করুন আর উপভোগ করুন। এটি সকল উইন্ডোজ সাপোর্ট করে। মূলত এটি ইনস্টল করার দরকার পড়বে না। কারণ এটি পোর্টেবল। ডাউনলোড করুন আর ব্যবহার করুন। নিচে এর একটি স্ক্রিনশর্ট দিলাম দেখে নিতে পারেন।

এটি আপনার ডিফল্ট ফাইল এক্সপ্লোরার থেকেও অনেক বেশি ফাস্ট কাজ করবে। সকল উইন্ডোজ সার্পোটেড এই ফাইল এক্সপ্লোরার টি এখনো পর্যন্ত আমার দৃষ্টিতে সেরা বলে মনে হয়। তাই আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। আপনারা উপকৃত হবেন আশা করি।
প্রয়োজনে আপনি আপনার ডেস্কটপে রেখে দিয়ে কাজ করতে পারেন। প্রয়োজনমত যখন তখন ব্যবহার করতে সামনে থাকায় ভালো। তবে চলুন ফাইল এক্সপ্লোরার টি ডাউনলোড করে নিই।

মাত্র ১.৫ এম্বি।

ডাউনলোড

উপরের লিংকে ক্লিক করে ডাউনলোড করে নিন। আর উপভোগ করুন পোর্টেবল ফাইল এক্সপ্লোরার এর মজা।
টেকটিউনস আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে। বলতে গেলে আমার দক্ষতার পিছনে সবচেয়ে বেশি অবদান রয়েছে এই টেকটিউনস এর। বেশি ‍কিছু জানিনা। তবে যতটুকু জানি শেয়ার করতে ভালো লাগে। বাংলাদেশ প্রযুক্তিতে আরো সমৃদ্ধি লাভ করুক। আমরা আরো অনেক কিছু শিখতে চাই। যাতে পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশের প্রযুক্তিপ্রেমীরা অমর হয়ে থাকে নতুন কিছু আবিষ্কারের মাধ্যমে।
আমার সাথে যোগাযোগ করতে ফেসবুকে নক করতে পারেন।
সম্পূর্নভাবে অপ্রস্তুত আমার একটি ব্লগ সাইট। যেটার কাজ এখনো সমাপ্ত করতে পারিনি সময় ও সুযোগের অভাবে। তবে চেষ্টা করছি খুব তাড়াতাড়ি এটাকে অবমুক্ত করার। আপনারা সাথে থাকলে হয়তো সম্ভব।

পিপল পার আওয়ার যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস। ২০০৭ সালে পিপল পার আওয়ার এর যাত্রা শুরু হয়। এখানে বায়ার সহজে জবের জন্য অফার করতে পারে। আবার যে কাজ করবে সেও তার স্কিল সেল করতে পারবে। এখান থেকে কাজ কিনে আবার এই মার্কেটপ্লেসে সেল করতে পারবেন। এই মার্কেটপ্লেসে ফিক্সড এবং আওয়ার্লি জব করার সুযোগ আছে।  এ মার্কেটপ্লেসের লিংক: peopleperhour.com
 people-per-hour
এর আগের পর্বগুলো যারা মিস করেছেন, তাদের জন্য আগের পর্বগুলোর লিংক দিচ্ছি।
১ম পর্ব: ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা
২য় পর্ব: ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে সমাজে প্রচলিত ভুল ধারণাগুলো
৩য় পর্ব:  ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হতে করনীয়
৪র্থ পর্ব:  চাকুরি নাকি ফ্রিল্যান্সিং
৫ম পর্ব: বিখ্যাত মার্কেটপ্লেসের পরিচিতি
৬ষ্ঠ পর্ব: মার্কেটপ্লেসের বাইরে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ পাওয়ার উপায়
৭ম পর্ব: পেমেন্ট উত্তোলনের ‍উপায়
৮ম পর্ব: আপওয়ার্ক নিয়ে বিস্তারিত
৯ম পর্ব: ফাইভার নিয়ে বিস্তারিত

পিপল পার আওয়ারে যে সমস্ত কাজ পাওয়া যায় :

- লোগো ও ওয়েবপেজ ডিজাইন
- ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলোপমেন্ট
- সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন
-  ভিডিও এডিটিং
- ডেটা এন্ট্রি
- কপিরাইটিং
-  প্রোগ্রামিং
- অ্যাকাউন্ট সাপোর্ট ইত্যাদি।

কাজের ধরন :

পিপল পার আওয়ার একটি জনপ্রিয় ডুয়াল মারকেটপ্লেস।এখানে সার্ভিস সেল করা যায় আবার জবে বিড করে কাজ নিয়েও কাজ করা যায়। এই মার্কেটপ্লেসে জনপ্রিয় হলো নিজের সার্ভিস নিজে সেল করা।নিজের সার্ভিস নিজে সেল করার জন্য আপনি যে সেক্টরের কাজ জানেন ঐ সেক্টরের উপর আপনার স্কিল প্রকাশ করে তা টিউন করতে পারেন। টিউনের মধ্যে আপনি কোন বিষয়ে এক্সপার্ট এবং যে সার্ভিসটা আপনি দিতে চাচ্ছেন ঐ সার্ভিসটা নিতে হলে বায়ারকে কত ডলার গুনতে হবে তা উল্লেখ করে দিতে পারেন।
এছাড়াও পিপল পার আওয়ারে আওয়ার্লি অর্থাৎ ঘণ্টা হিসেবে কাজ করা যায়। আওয়ার্লি হচ্ছে মিনিপ্যাক কাজের অফার যা ১ থেকে ৫ দিনেই বায়ারকে করে দেয়া যায়।
মিনিপ্যাক বলে এই আওয়ার্লির কাজ সম্পাদনা হয় খুব কম সময়ে তাই বায়াররা এসব আওয়ার্লি কিনতে আগ্রহী থাকে তুলনামূলকভাবে বেশি। আওয়ার্লি কাজে সময় পরিমাপ করার জন্য আলাদা কোন
সফটওয়ার ইন্সটল করতে হয় না ফলে কোন ধরনের কোন ঝামেলা নেই  সরাসরি আপনি আপনার কাজ শেষ করে নিজেই আপনার কজের হিসেব করে তা উল্লেখ করে দিতে পারবেন আপনার ক্লায়েন্টের কাছে এবং যত ঘণ্টা কাজ করবেন সেই হিসেবেই পেমেন্ট পেয়ে যাবেন।
pph

পিপল পার আওয়ারে অ্যাকাউন্ট ও প্রোফাইল তৈরি :

পিপল পার আওয়ারে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ইমেইল এড্রেস লাগবে। এছাড়া ফেইসবুক অথবা লিঙ্কডিন দিয়েও সাইনআপ করা যায়। তবে ইমেইল এড্রেস  ব্যবহার করা ভাল।
অ্যাকাউন্ট টাইপ উভয় নির্বাচন করলে একই সাথে বায়ার এবং সেলার হওয়া যায়। অ্যাকাউন্ট নিশ্চিত করার জন্য ইমেইল ভেরিফিকেশান করা হয়। অ্যাকাউন্ট করার সময় সাইনআপ ফর্মে সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ করতে হয়। অ্যাকাউন্ট নিশ্চিত হয়ে গেলে এখন প্রোফাইল তৈরি করা। প্রোফাইল তৈরি করার জন্য টপ নেভিগেশান বারের একেবারে ডান দিকে যেখানে মানুষের মতো প্রতিকৃতি দেয়া আছে সেখানে ক্লিক করলে এডিট প্রোফাইল নামে একটি অপশন আসবে। এই অপশন থেকে পূর্ণ নাম, কাজের ধরন, প্রোফাইল ফটো, আওয়ার্লি রেট,ফোন নম্বর ইত্যাদি যোগ করতে হবে। প্রোফাইল ফটোটি যাতে খুব প্রাণবন্ত ও হাস্যোজ্জ্বল ও সুন্দর দেখায় সে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে। এই বিষয় গুলোকে খুব সহজ সুন্দর ও সরল ভাষায় কোন রকম ভুল ভ্রান্তি ছাড়াই পূরন করতে হবে। অ্যাবাউট ইউ তে আপনি যে বিষয়ে স্কিল সে বিষয়ে লিখতে হবে। এছাড়াও প্রোফাইল স্কিলস থেকে একাধিক প্রোফাইল স্কিল যোগ করা যায়। প্রোফাইলে ভিডিও যুক্ত করার অপশন আছে। ভিডিওর সময়কাল ২ মিনিটের মধ্যে হতে হবে। পোর্টফুলিও যুক্ত করার সময় ভালো বা উন্নত মানের স্যাম্পল, ছবি, পিডিএফ লেখার ডকুমেন্ট ফাইলের স্যাম্পল আপলোড করতে পারেন।

পিপল পার আওয়ারে এন্ডোর্স, স্টার ও লাইক:

পিপল পার আওয়ারে বায়ার সেলারের সার্ভিস রেটিং থাকে। আপনি পিপল পার আওয়ারে অ্যাকাউন্ট খোলার পরেই অন্য পিপিএইচারদের, তা হোক বায়ার বা সেলার, স্টার দিতে পারবেন। স্টার দিলে বোঝা যাবে সেই সার্ভিস বা অফারকৃত কাজটির মান উন্নত, আর পিপিএইচের জব ডেটাবেজে তা শো করবে উপরের দিকে।

টপ নেভিগেশন বার:

টপ নেভিগেশন বারে চারটি আইকন আছে।
১) টিউন আওয়ার্লি:
টিউন আওয়ার্লি হচ্ছে ক্ষুদ্র কাজের অফার, যা এক থেকে পাঁচ দিনেই আপনি বায়ারকে করে দিতে পারবেন, তা যেকোনো ধরনের সেবা হতে পারে। গ্রাফিক্স,ওয়েব, প্রোগ্রামিং, বিজনেস প্রপোজাল- সবই আওয়ার্লির আওতায় অফার করা যায়। আওয়ার্লি কাজ করলে আপনার প্রোফাইলের রেঙ্ক অনেক উপরে উঠে যাবে
আওয়ার্লি কিভাবে তৈরি করবেন :
টপ নেভিগেশন বার থেকে টিউন আওয়ার্লি অপশন থেকে আওয়ার্লি তৈরি করা হয়। আওয়ার্লি তৈরি করার পূর্বে গুগল থেকে মার্কেট রিসার্চ করে কিছু জ্ঞান অর্জন করে নিন। আপনি যে আওয়ার্লি অফার করবেন তা বাজারে কতটুকু সাড়া ফেলতে পারে এমন কিছু চিন্তা করে গুছিয়ে নিন। আপনি যে স্কিল অফার করছেন সেটা ওখানে উল্লেখ করতে হবে। সর্বোচ্চ তিনটি স্কিল দিতে পারবেন।
কোনো স্কিলসেটের অফার করা ভাল যার প্রতিযোগী কম ফলে খুব সহজেই দুরদর্শী লক্ষ্য আর কাজের নৈপূন্যতা দেখানো যায়।
- আওয়ার্লি অফারটি বায়ারকে নিতে হলে কত ইউ.এস ডলার কিংবা পাউন্ড বা ইউরো লাগবে তা সিলেক্ট করে দিতে হবে। কাজের রেট যত হওয়া উচিত ঠিক ততটুকো রেট উল্লেখ করুন। একাধিক আওয়ার্লি তৈরি করা যায়, এক্ষেত্রে লাভ হল বায়ার কোন ধরনের কাজ খুঁজছে তা আপনার পক্ষে বলা মুশকিল, তবে যদি কাছাকাছি স্কিলের একাধিক আওয়ার্লি তৈরী করা যায় তবে বায়ার তার চাহিদা অনুসারে সার্ভিসটি পাবে। আওয়ার্লি যদি কাছাকাছি স্কিলের হয় তবে যেসব কি-ওয়ার্ড, ছবি ইত্যাদি ব্যবহার করছেন তা যেনো অনেকটাই ভিন্ন হয়, এতে করে আপনার আওয়ার্লি বায়ারের কাছে বিক্রয়ের জন্য সহজ হবে।
- এবার কাজের ট্যাগ ও ছবি আপলোড করতে হবে।যেই কাজের স্কিলটি অফার করছেন সেই কাজের উপর একটি ছবি অথবা ভিডিও আপলোড করতে হবে। ভিডি আপলোড করলে আপনার আওয়ার্লির চাহিদা বেশি হবে। এক্ষেত্রে ভিডিও তৈরি করার জন্য মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট দিয়ে অফারের উপর একটা প্রেজেনটেশন তৈরি করে স্ক্রিন কেপচার দিয়ে রেকর্ড করে ভিডিও বানানো যায়। যদি আরো প্রফেশনাল ভিডিও চিত্রের দরকার হয় তা অর্ডার করে বানিয়ে নিতে পারেন অন্য আর্টিস্টের কাছ থেকে। ভিডিওর মধ্যে সংক্ষেপে বর্ননা,আপনি যে কাজের অফার করছেন, আপনার কাজ কেন অন্যদের চেয়ে ভালো এগুলো উল্লেখ করতে পারবেন। তাছাড়া যদি কোন অতিরিক্ত অফার থাকে তাও যোগ করতে পারবেন।
- আওয়ার্লির ডিটেইলস এ সার্ভিস সম্বন্ধে বিস্তারিত লিখতে হবে যাতে বায়ার সার্ভিস সম্বন্ধে যথেষ্ট ধারনা পায় এবং আকৃষ্ট হয়। আওয়ার্লির ডিটেইলস এ সঠিক, নির্ভুল, যথাযত ও নিখুঁত বর্ননা দিতে হবে। বর্ণনাতে বুলেট পয়েন্ট ব্যবহার করতে পারেন। এবং কাজ শেষ করবার পর বায়ার কতটা লাভবান হবে তা উল্লেখ করে দিতে পারেন।
pph1
বায়ার সার্ভিসটি নিতে হলে কি কি শর্ত পূরণ করতে হবে এই অপশন এ এগুলো উল্লেখ করতে হবে। এখানে কাজ করার জন্য বায়ারের কাছ থেকে কি কি দরকার হবে তা উল্লেখ করতে হবে। যেমন: সহায়ক ডেটা, ইমেজ বা ডিজিটাল রিসোর্স ইত্যাদি। বায়ারের কাছ থেকে সেলারের চাহিদা উল্লেখ করে উল্লেখ করে দিতে হবে যাতে পরবর্তীতে ডেলিভারি দিতে সমস্যায় না পরতে হয় অর্থাৎ এই সার্ভিসটি নিতে হলে বায়ারের এই তথ্যগুলো লাগবে। সুতরাং ডেসক্রিপশনটি এমনভাবে লিখতে হবে যেন এটি পড়লে বায়ার অফারটি কেনার জন্য অর্ডার করে। উপস্থাপনা ভাল হলে কাজ পাওয়ার   সম্ভাবনাও বেড়ে যাবে। আওয়ার্লি টিউন দেয়ার আগে টার্মস আর কন্ডিশান চেক করে নিন।
২) ফেবুরাইটস: আপনি আপনার প্রোফাইল থেকে যাদের স্টার দিয়েছেন তাদের তালিকা এবং আপনি কোনো বায়ার বা সেলারকে নিজের প্রিয়-তালিকাভুক্ত করে রাখতে পারবেন, যাতে করে তাদের আপডেট সর্বদা চোখের সামনে সহজেই পড়ে। ফেবুরাইটস অনুসন্ধান করবার কাজেও ব্যবহার করা যাবে অর্থাৎআপনি পিপিএইচে টিউন করা কোনো জবকেও স্টার দিয়ে রাখতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনি জবস, আওয়ার্লিস, কালেকশনস ও পিপল এই চার ক্যাটাগরি আওয়ার্লি পছন্দের তালিকায় রাখতে পারবেন।
৩) ওয়ার্কস্ট্রিম: বায়ার যদি কোনো মেসেজের উত্তর দিয়ে থাকে তা ওয়ার্কস্ট্রিমই প্রদর্শন করবে,অনেকটা ফেইসবুকের মতো টিউমেন্টের পিঠে টিউমেন্ট। মেসেজে লিঙ্ক সহ ছবি বা ভিডিও কোনটাই টিউন করতে পারবেন না। প্রোপোজাল ফিক্সড বা আওয়ার্লি দু’টাতেই করা সম্ভব, কাজের প্রস্তাবনা যদি থাকে তখন তা ফর্মাল আকারে আপনি ক্লায়েন্টকে দিতে পারেন। আপনার পেমেন্ট সেটিংসে ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট যোগ করা থাকলে তবেই আপনি ইনভয়েজ রেইজ করতে পারবেন।
৪) নটিফিকেশনস: আপনাকে যদি কেউ এন্ডোর্স বা স্টার দিয়ে থাকে তার নোটিশ প্রদর্শিত হবে, পিপিএইচে একটি প্রোফাইলে স্টার দেয়া সম্ভব, যার মাধ্যমে সেই স্টারকৃত আওয়ার্লি বা মানুষটি (বায়ার কিংবা সেলার) আপনার ফেবুরাইটস এ যোগ হয়ে যাবে, একই প্রক্রিয়াই একজন সেলারের প্রোফাইল এন্ডোর্স করা সম্ভব, এর মানে আপনি সেলারের কাজ সম্পর্কে অবগত এখন আপনার প্রোফাইল আর আওয়ার্লি দুটোতেই স্টার দেয়া সম্ভব, তবে এন্ডোর্স করা সম্ভব শুধু আপনার প্রোফাইলকেই।

পিপল পার আওয়ারের পেমেন্ট মেথড:

বায়ার যখন কাজের অর্ডার করে তখনই তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে নেয়া হয়। অর্ডার কমপ্লিট হলে এবং তা সাবমিট করা হলে পিপল পার আওয়ার থেকেই আপনাকে পে করা হবে। পিপল পার আওয়ারের থেকে বাংলাদেশে সাধারণত ৩ বৈধ উপায়ে টাকা উঠানো যায়। ব্যাংক একাউন্ট থাকলে সরাসরি সেই একাউন্টে ” লোকাল ফান্ড ট্রান্সফার” আর মাধ্যমে পিপল পার আওয়ারের থেকে টাকা ট্র্যান্সফার করা যায়।অপরটি হচ্ছে পাইওনিয়ার ডেবিটকার্ডের মাধ্যমে পিপল পার আওয়ার থেকে আয় করা অর্থ সরাসরি এটিএম বুথের মাধ্যমে উঠানো যায়।পিপল পার আওয়ার থেকে স্ক্রিল কার্ড দিয়েও টাকা উঠানো যায়। আর যদি আপনি কোন কারনে আপনার অর্ডার কমপ্লিট করে ডেলিভার করতে ব্যর্থ হন তাহলে বায়ারকে টাকা রিটার্ন করে দেয়া হবে এবং আপনি একটি ব্যাড রেটিং পাবেন। আর যদি কোন কারনে আপনার অর্ডার বায়ার কমপ্লিট অথবা ডিক্লাইন কোনটাই না করে তাহলে কয়েকদিন পরে অটোম্যাটিক অর্ডার কমপ্লিট হয়ে যাবে এবং আপনি পেমেন্ট পেয়ে যাবেন আপনার একাউন্টে। আর যদি আপনার কাজটি বায়ার ডিক্লাইন করে দেয় এবং আপনি পিপল পার আওয়ার এর কাছে রিপোর্ট করেন তাহলে তারা আপনার অর্ডারটি খতিয়ে দেখবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবে।
10

সতর্কতা:

১)  কাজের অর্ডার পাওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ জমা দিতে না পারলে অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হয়ে যেতে পারে।
২) ম্যাসেজে বায়ারের সাথে যোগাযোগ করার সময় কোন প্রকার লিঙ্ক, ছবি বা ভিডিও দেয়া যাবে না।
৩) পেমেন্ট মেথড খুব গুরুত্বের সাথে যোগ করতে হবে।
৪) অন্যের অ্যাকাউন্ট থেকে কপি পেস্ট করা যাবে না।
৫) কোন ভাবে একের অধিক অ্যাকাউন্ট খলা যাবে না।
৬) অ্যাকাউন্ট খোলার কিছুদিনের মধ্যে প্রয়োজনিও কাগজ পত্র সাবমিট করতে হবে। যেমন – ভুটার আইডি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট। প্রয়োজনিও কাগজ পত্র সাবমিট না করলে আইডি সাসপেন্ড হওার সম্ভাবনা থাকে।
৭) অ্যাকাউন্ট খোলার সময় সবকিছু সঠিক তথ্য দিতে হবে। মনে রাখতে হবে ভুটার আইডিতে যে রকম আছে ঠিক সেই রকম।

কোন ধরনের বিস্তারিত তথ্যের জন্য আমাকে ফেসবুকে ক্লিক করতে পারেন...... Thanks....

আপনারা সবাই অবগত আছেন যে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ থেকে এস এস সি পরীক্ষা শুরু হবে। তাই এখনই পরীক্ষার প্রস্তুতির শেষ সময়। আর প্রস্তুতির জন্য চাই ১০০% কমন উপযোগী টেস্টপেপার। তাই আমি নিয়ে এলাম সকল বিষয়ের জন্য

SSC Test paper 2016 . আর আপনাকে টেস্টপেপার কিনে পড়তে হবে না।

আর কথা বাড়াবো না। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন, আমি যেন আমার ম্যাজিক কোচিং তথা সারা দেশের ছাত্র ছাত্রীদের জন্য আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে পারি।
টেস্ট পেপার গুলো ডাউনলোড করতে বিষয়ের উপর ক্লিক করে ডাউনলোড করুন।
তারপর Test paper টি Extract  করুন। Extract করলে আপনি অনেক গূলো ফাইল দেখতে পারবেন। তার মধ্য থেকে index ফাইলটিকে ডাবল ক্লিক করুন। ডাবল ক্লিক করলেই টেস্টপেপারটি পড়তে পারবেন।
এর জন্য আপনার কম্পিউটারে adobe flash player এবং মজিলা ফায়ারফক্স Install করা থাকতে হবে।
এই টেস্টপেপারটি Android মোবাইল দিয়েও পড়তে পারবেন। এর জন্য আপনার মোবাইলে প্রথমে Abobe flash player install করুন। তারপর UC Browser install করুন। এখন unzip করা ফাইল থেকে index ফাইলটির উপর ক্লিক করুন। Open with Uc Browser করুন।
আসুন টেস্ট পেপার গুলো ডাঊনলোড করি

সকল বিভাগের জন্যঃ
১। ইংরেজি ১ম পত্র টেস্টপেপার।
২। ইংরেজি ২য় পত্র টেস্টপেপার।
৩। গণিত টেস্টপেপার।

বিজ্ঞান বিভাগের জন্যঃ
১। রসায়ন টেস্টপেপার ২০১৬ ।
২। পদার্থ টেস্টপেপার ২০১৬।
৩।  জীববিজ্ঞান টেস্টপেপার ২০১৬।
৪। বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় টেস্টপেপার ২০১৬। 

মানবিক বিভাগের জন্যঃ
১। অর্থনীতি টেস্টপেপার ২০১৬।
২। পৌরণীতি টেস্টপেপার ২০১৬।
৩। ইতিহাস টেস্টপেপার ২০১৬।
৪। সাধারণ বিজ্ঞান টেস্টপেপার ২০১৬। 

ব্যবসায় বিভাগের জন্যঃ
১। হিসাববিজ্ঞান টেস্টপেপার ২০১৬।
২। ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং টেস্টপেপার ২০১৬।
৩। ব্যবসায় উদ্যোগ টেস্টপেপার ২০১৬।
৪। সাধারণ বিজ্ঞান টেস্টপেপার ২০১৬। 

কারো কোন সমস্যা বা অভিযোগ থাকলে আমার ফেসবুক আইডি আশরাফুল এ যোগাযোগ করতে পারেন।

সবাই ভাল থাকবেন।

এন্ড্রয়েডে ব্রাইটনেস আমাদের চোখের অনেক ক্ষতি করে যেটা আমরা নিজেরাই বুঝতে পারি। কারণ অনেকক্ষণ ধরে ফোন ব্যবহার করলে চোখ দিয়ে পানি বের হয়ে আসে।ফোনের ব্রাইটনেস একদম কমালেও সেটা যথেষ্ট হয়না মাঝেমাঝে। এই টাইপের অনেক এপ থাকলেও এই এপ টাকেই আমার বেস্ট মনে হয়। অন্য এপ দিয়ে আলো কমালে এপ ইন্সটল নিতে চায়না,কিন্তু এটি সব দিক দিয়েই পারফেক্ট। সাইজে ছোট্ট হলেও কাজে বড়ই ওস্তাদ।কথায় আছে না ছোট মরিচের ঝাল বেশি!!
★এপের নাম:Shades.Apk
★ভার্সন :v1.3.1
★সাইজ:১২৯ কেবি!!
★রিকোয়ারমেন্টস : Android 2.3 & Up
ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।

For android User:
প্রথমেই নিচের ফাইলটা নামান
OpenVpn.zip
ফাইলটা নামিয়ে sd card এ extract করুন[Extract করতে Bluetooth File Transfer.apk এপ টা ব্যবহার করুন ]… ভিতরে দেখবেন OpenVpn connect নামক একটা ফাইল আছে সেটা ইনষ্টল করুন।
ইনষ্টল করার পর Import এ ট্যপ করুন
Import from sd card select করে যেখানে .zip file টা extract করছিলেন অই ফোল্ডারের ভিতরে যান এবং config folder এ যান অনেক গুলা ফাইল পাবেন সেখান থেকে vpnbook-us1-*****.ovpn এই টাইপের যে অনেকগুলা ফাইল আছে তার ভিতর থেকে ১ টা সিলেক্ট করুন
User name : Vpnbook
password : MuQu4ust
দিয়ে কানেক্ট করুন।I trust this application এ মার্ক করুন ।কিছুক্ষন পর কানেক্টেড দেখাবে। Vpnbook এর পাসওয়ার্ড কিছুদিন পর পর চেঞ্জ হয়।নতুন পাসওয়ার্ড পেতে http://www.vpnbook.com/freevpn চোখ রাখুন।
For Pc User:
প্রথমেই নিচ থেকে .zip file টা ডাওনলোড করে নিন

Open Vpn For pc.zip
Extract করুন ভিতরে Nmd Vpn.exe নামের একটা সফটওয়্যার এবং  ‘Config’ নামের একটা ফোল্ডার পাবেন
NmdVpn.exe ইনষ্টল করুন এবং  C:=>Program files=> NMD Vpn =>Config এ যান
অই ফোল্ডারে কিছু থাকলে ডিলেট করুন এবং আপনার এক্সট্রাক্ট করা  ‘Config’ ফোল্ডার এর ভিতরকার ফাইল গুলা কপি করুন
তারপর ফোল্ডার তটা নিচের মতো দেখতে হবে
বিঃদ্রঃ  vpn password কয়েকদিন পর পর পরিবর্তিত হয়… আপডেট জানতে www.computerhome.tk তে নজর রাখুন এবং নতুন পাসোয়ার্ড আপডেট হলে txt ফাইল টা Notepad কে Administrator permission দিয়ে চালু করে আপডেট করে দিবেন 
তারপর  “NmdVpn.exe” এর উপর মাউস এর ডান পাশের বাটন ক্লিক করে “Run As Administrator” দিয়ে চালু করুন
তারপর আপনার Task Bar থেকে NMD vpn চালু করুন এবং যেকোন একটা কনফিগ এ কানেক্ট ল্করুন [You must be connect your modem first]
কিছুক্ষন পর  “Vpn connected”এই টাইপের একটা নটিফক্যশন দেখবেন। ব্যস এখন সব ধরনের ওয়েবসাইট ব্রাউজ করুন আরামসে  
For All other user:
সিম্বিয়ান ব্যবহার কারীদের জন্য ভিপিএন থাকতে পারে।
তবুও জাভা ও সিম্বিয়ান ব্যবহারকারীরা প্রক্সি সার্ভার এর সাহায্যে যেকোন ব্লকড ওয়েবসাইট একসেস করতে পারেন।
এর জন্য নিচের যেকোন প্রক্সি সাইটে যান এবং সেখানে থেকে Facebook.com বা যেকোন ব্লকড সাইটের লিংক দিয়ে আরামসে ব্রাউজ করতে পারবেন
Proxy site list:
Proxy server at http://proxy-server.at
FilterByPass – https://www.filterbypass.me/
Unlock My Web – http://www.unblockmyweb.com/
Proxy Site – https://www.proxysite.com/
Hide My Ass – https://www.hidemyass.com/
Free YouTube Proxy – http://www.youtubeunblockproxy.com/
Proxy – http://proxy.org/
England Proxy – https://www.englandproxy.co.uk/
Unblocker – https://www.unblocker.us/
Fast USA Proxy – http://fastusaproxy.com/
New IP Now – http://newipnow.com/
Anonymouse – http://anonymouse.org/anonwww.html
Hidden Digital Info – http://hiddendigital.info/
Anony Mizer – https://www.anonymizer.com/ (14 days free trial)
K Proxy – http://www.kproxy.com/
Don’t Filter – http://dontfilter.us/
Working Proxy – https://www.workingproxy.net/
Proxy 2014 – http://www.proxy2014.net/
Change IP & Country – http://anonymizer.nntime.com/
VTunnel – http://vtunnel.com/
Rapid Proxy – https://www.rapidproxy.us/
Ninja Cloak – http://ninjacloak.com/
Proxyo – http://proxyo.info/
DeFilter – http://defilter.us/
Quick Proxy – http://www.quickproxy.co.uk/
Free Proxy Server – https://www.freeproxyserver.uk/
Free You Proxy Tube – https://www.freeyouproxytube.com/
The Best Proxy – https://www.thebestproxy.info/
VPN Browse – http://vpnbrowse.com/
Powered by Blogger.